উত্তরাধুনিক রাজনৈতিক ডিসকোর্সে যখন প্রথাগত ধর্মীয় জাতীয়তাবাদ এবং ঐতিহ্যের রোমান্টিকীকরণকে একাকার করে দেখা হয়, তখন সত্যজিত রায়ের ১৯৬০ সালের মাস্টারপিস ‘দেবী’ চলচ্চিত্রটি এক গভীর অন্তর্দৃষ্টির জানালা খুলে দেয়। ঊনবিংশ শতাব্দীর পটভূমিতে নির্মিত এই চলচ্চিত্রটি কেবল কুসংস্কারের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ প্রতিবাদ নয়; বরং এটি হলো পিতৃতান্ত্রিক হিন্দু সমাজকাঠামোয় দেবত্ব আরোপের মনস্তত্ত্ব ...
চলচ্চিত্রের প্রধান দুটি দিক – ইমেজ ও ধ্বনি৷ কাহিনি ও পরিবেশ বর্ণনা, সঙ্গীতের ছন্দ গতি বাদ্যযন্ত্র, আলো-ছায়া, আর সবশেষে সংলাপ- এই সবকিছুই একটি চলচ্চিত্রের প্রাণ প্রতিষ্ঠা করে তাকে করে তোলে অনন্য৷ বাংলা চলচ্চিত্র ইতিহাসে তেমনই এক অবিসংবাদিত মাইলফলক হলো সত্যজিৎ রায়ের পরিচালনায় ‘পথের পাঁচালী’। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাসের এই রূপায়ণ ...
‘তোমাদের পানে চাহিয়া বন্ধু আর আমি জাগিব না, / নিশ্চল, নিশ্চুপ, / আপনার মনে আপনি পুড়িব গন্ধবিধুর ধূপ’, লিখেছিলেন কবি কাজী নজরুল ইসলাম। যেসব বাঁশি নিশ্চিন্তপুরের মাঠ ছেড়ে, না বেজেই ফিরে গিয়েছিল গ্রীষ্ম-বৈশাখী রাতে, তারা সবাই সত্যজিৎ রায়কে মনে রেখেছিল। গন্ধধূপের রাশি যা কিছু পাওয়া, ছেড়ে যাওয়া মনে রেখেছিল; তারা ...