মঙ্গলবার গভীর রাতে শহরে পৌঁছেই বুধবার অনুশীলনে যোগ দিলেন ডানি রামিরেজ। একই দিনে অনুশীলনে যোগ দেন ইস্টবেঙ্গল অধিনায়ক সৌভিক চক্রবর্তীও। বুধবার সেন্টার অফ এক্সিলেন্সের মাঠে এদিনও আধঘন্টার টিম মিটিংয়ের পর মাঠে নামে ইস্টবেঙ্গল দল। এদিন প্রথম থেকেই ট্যাকটিক্যাল অনুশীলনে জোর দেন কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস।
ডার্বিতে কাদের পাচ্ছেন না হাবাস?
প্রথম দিন হওয়ায় সাইডলাইনে রিহ্যাব সারেন রামিরেজ ও সৌভিক। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন বরিস সিং এবং দানিশ ফারুখও। ক্লাব সূত্রের খবর, চোটের কারণে আসন্ন ডার্বিতে বরিস, রামিরেজ এবং দানিশের খেলার সম্ভাবনা কম। অন্যদিকে বাকি দলকে দুই ভাগে ভাগ করে অনুশীলন করান হাবাস। ছোট ছোট পাসে আক্রমণ গড়ে তোলার কৌশল, আক্রমণে বাড়ানোর কৌশল সবকিছুতেই নজর রাখেন স্প্যানিশ কোচ। আলাদা করে জিকশন সিং, এডমুন্ড লালরিন্ডিকা ও ডেভিডের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের – নির্দিষ্ট ভূমিকা বুঝিয়ে দেন কোচ। একইভাবে বিপিন ও বিষ্ণুদের সঙ্গেও আলাদা আলোচনা করেন হাবাস। তাঁদের দায়িত্ব থাকবে নিজেদের দিকে বিপক্ষ ডিফেন্ডারদের টেনে এনে আক্রমণে উইংব্যাকদের জন্য জায়গা তৈরি করা।

পাশাপাশি লং বল থেকে দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাকের অনুশীলনও চলে বেশ কিছুক্ষণ। গোলকিপারদের একই সেশনে রেখে পরীক্ষা করেন কোচিং স্টাফ। কেউ গোল হজম করলে সঙ্গে সঙ্গে আলাদা করে গোলকিপার কোচের সঙ্গে কাজ করতে পাঠানো হয়, আবার অন্যজনকে ফিরিয়ে আনা হয় মূল দলে। সামান্য ভুল হলেই ড্রিল শুরু হচ্ছে নতুন করে। মাঠে নামতে মুখিয়ে হাবাস রামিরেজ অনুশীলনের শেষ পনেরো মিনিটে মূল দলে যোগ দেন রামিরেজ। তাঁকে ফ্রি রোলে খেলিয়ে দেখে নেন হাবাস। সেশন শেষে রামিরেজ বলেন, “লাল-হলুদ জার্সিতে খেলতে মুখিয়ে আছি। দীর্ঘ সফরের ক্লান্তি আছে, তবে আশা করি মোহনবাগানকে হারাতে পারব।”

এবারের ডার্বিতে টিকিট রিডিম করার ঝামেলা থাকছে না। ফলে অনলাইনে কাটা টিকিট সরাসরি নিয়ে ঢুকে যাওয়া যাবে মাঠে। বুধবার এ কথা জানিয়েছেন ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ।

