নকশী কাঁথা: বাঙালি নারীর নীরব প্রতিরোধ ও জীবনের আলেখ্য কংগ্রেস শাসিত কর্ণাটকে বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকদের নাগরিকত্ব যাচাই ও হয়রানির সংকট, ভাষার বুলডোজার! বাংলা থেকে আমেরিকান ক্যাপিটালিজম: সিয়ারসাকারের দাসত্ব ও আভিজাত্যের ইতিহাস অবৈধ মাইনিং এবং পরিবেশ উদাসীনতায় ডুবছে আসাম বালাঘাটে শিশুমৃত্যু,স্বাস্থ্যব্যবস্থার ব্যর্থতা ও বৈগা আদিবাসী সংকট এক বছরের মধ্যে, RSS পরিচালিত ১০০০টি স্কুল খোলার লক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী : শিক্ষার গেরুয়াকরণ? মনসুন ওয়েডিং: এক পশলা বৃষ্টিতে ধোয়া সম্পর্কের হিসেব অনুদান কোটি কোটি, প্রার্থী মোটে ১৫! গুজরাটের বেনামী দলগুলোর আড়ালে কি বিশাল কর ফাঁকির খেলা?

তিন বছর ধরে দা/ঙ্গা, উদ্বাস্তু ৫০ হাজার মানুষ! নেপথ্যে কোন রাজনীতি?

১৬ জন
পড়েছেন

প্রতিবেদন টি শেয়ার করুন

মণিপুরের জাতি দাঙ্গায় এখনও অবধি মৃত্যু হয়েছে প্রায় ২৫০ এর বেশি মানুষের। ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী মণিপুরে মেতেই জনগোষ্ঠীর জনসংখ্যা ৫৩ শতাংশ, নাগা জনগোষ্ঠীর জনসংখ্যা ২৪ শতাংশ, কুকির জনসংখ্যা ১৬ শতাংশ। তাহলে সমস্যার শুরু কোথা থেকে? ২০২৩ সালের মে মাসে হঠাৎ অশান্ত হয়ে ওঠে মণিপুর। বলা হচ্ছিল, মেতেই জনগোষ্ঠীকেও তফশিলি জনগোষ্ঠীর মর্যাদা দেওয়া হতে পারে। এতে কুকিদের বিরোধিতার জায়গা কোথায়? কুকি এবং নাগাদের মূলত বাস মণিপুরের পাহাড়ি দুর্গম এলাকায়, আর মেইতেই জনগোষ্ঠী বসবাস করেন উন্নত সমতলে। কিন্তু জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে মেইতেইদের থাকার জায়গা ক্রমশ কমে আসছে। তফশিলির মর্যাদা পেলে তারাও পাহাড়ে জমি কিনতে পারবে, বাড়ি বানাতে পারবে। এখানেই মূল সমস্যার শুরু। আসলেই কি চিনের মদত? কেন এই দাঙ্গা থামার নাম করছে না? খোঁজ নিল HOW. সম্ভব হলে সম্পূর্ণ ভিডিওটি দেখবেন। স্বাধীন সংবাদ মাধ্যমের পাশে দাঁড়াবেন। 

অন্যান্য প্রতিবেদন.