সাংবাদিক সম্মেলন, শেখ হাসিনা ফের খবরে! তারেক নাকি হাসিনা? কী ভাবছে দিল্লী? ক্যাম্পাসে গ্রাফিতিতে চুনকাম ও রাষ্ট্রের ছায়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় বন্ধ করে সার্বিক হোক নির্বাচন! তবেই সাপমুক্তি হবে পশ্চিমবঙ্গের? বিজেপির বিরুদ্ধে ভোটে জিতে মোদীর সঙ্গে ব্রেকফাস্ট! সায়নী, কাকলীরা আর জিতবেন? প্রতিবাদী মানেই ‘অ্যান্টিন্যাশনাল’ নয়, ভাগবতের কথা কি মাথায় রাখবে তথাকথিত ‘দেশভক্ত’রা? বাঁকিপুরের ঝাঁকি, সঙ্গে CJP! ঘুরে দাঁড়াতে পারবে BJP? গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কাঁটা মোদী-শাহ’র CPIM থেকে BJP হয়ে তৃণমূল! বিরোধী হলেই কাদা-ডিম্ ছোঁড়ার রাজনীতি বাংলায়, কবে বদলাব আমরা? জমিতেও হিন্দু-মুসলমান? মুখ্যমন্ত্রীর ‘ল্যান্ড জিহাদ’ মন্তব্যে শোরগোল বঙ্গ রাজনীতিতে

“ওরা ভেবেছিল গান্ধীকে মারলেই ভারত হিন্দুরাষ্ট্র হবে”, মোলাকাতের প্রথম পর্বে মুখোমুখি গান্ধীবাদী শিক্ষাবিদ মনীষা বন্দ্যোপাধ্যায়

৫৪ জন
পড়েছেন

প্রতিবেদন টি শেয়ার করুন

মনীষা বন্দ্যোপাধ্যায়। পেশায় শিক্ষিকা। গবেষক। গান্ধীবাদী। যার গবেষণায় শুধুমাত্র মহাত্মা গান্ধী, রবীন্দ্রনাথ নেই। বরং তার যাপনেও ফিরে এসেছেন এই দুই মহাপুরুষ। বীরভূমের প্রত্যন্ত গ্রাম লাভপুরে একটি সরকারি স্কুলে পড়ান, অবলীলায় বলেন রবীন্দ্রনাথ এবং মহাত্মা গান্ধীর বন্ধুত্বের অপর নামই ভারতবর্ষ। শাসক ইতিহাসের বিকৃতি ঘটালে ভুল ধরিয়ে দেন। মহারাষ্ট্রের প্রত্যন্ত গ্রাম, ঝাড়খণ্ডের আদিবাসী মহল্লায় গিয়ে গান্ধীকে আত্মস্থ করেন। বিশ্বভারতীর রতন পল্লীতে, সোনাঝুরির মারাংবুর থানে রবীন্দ্রনাথকে ফিরিয়ে দেন। আজকের পৃথিবীতে কেন প্রয়োজন গান্ধী এবং রবীন্দ্রনাথকে। আমরা সেই প্রশ্নই রেখেছিলাম মনীষা দেবীর কাছে। বিতর্ক পেরিয়ে, আসলে সব খারাপের মাঝে ভালোর খোঁজ করাই যে মানবজাতির আসল উদ্দেশ্য তার কিছুটা বোঝা গেল এই আলোচনায়। সম্ভব হলে সম্পূর্ণ ভিডিওটি দেখবেন। স্বাধীন সংবাদ মাধ্যমের পাশে দাঁড়াবেন।

অন্যান্য প্রতিবেদন.