বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় বন্ধ করে সার্বিক হোক নির্বাচন! তবেই সাপমুক্তি হবে পশ্চিমবঙ্গের? বিজেপির বিরুদ্ধে ভোটে জিতে মোদীর সঙ্গে ব্রেকফাস্ট! সায়নী, কাকলীরা আর জিতবেন? প্রতিবাদী মানেই ‘অ্যান্টিন্যাশনাল’ নয়, ভাগবতের কথা কি মাথায় রাখবে তথাকথিত ‘দেশভক্ত’রা? বাঁকিপুরের ঝাঁকি, সঙ্গে CJP! ঘুরে দাঁড়াতে পারবে BJP? গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কাঁটা মোদী-শাহ’র CPIM থেকে BJP হয়ে তৃণমূল! বিরোধী হলেই কাদা-ডিম্ ছোঁড়ার রাজনীতি বাংলায়, কবে বদলাব আমরা? জমিতেও হিন্দু-মুসলমান? মুখ্যমন্ত্রীর ‘ল্যান্ড জিহাদ’ মন্তব্যে শোরগোল বঙ্গ রাজনীতিতে রেখা পাত্রের বিরুদ্ধে বাড়ি দখলের অভিযোগ, শর্বরীর বিরুদ্ধে দোকান! তোলাবাজির TMC-BJP হয়? সেক্যুলার নেতাজির আদর্শ নিয়ে সমস্যা BJP-র! তাই অনন্ত মহারাজ এখনও বাইরে?

দেশের জন্য…

৪০ জন
পড়েছেন

প্রতিবেদন টি শেয়ার করুন

স্বাধীনতার দিনে মেঘ করে, আকাশ ছেয়ে আসে উদ্বাস্তু অভিমান। যারা দেশ ভালোবেসে চলে গেলেন, তারাই থেকে গেলেন মূর্তি হয়ে, ছবি হয়ে, গল্প হয়ে…

ইদানীং মানুষ সহজ হয়ে ভাবার চেষ্টা করেন। মানুষের কথা ভাবতে, দেশের কথা ভাবতে, দশের কথা ভাবতে কারোর ইশারা লাগবে—এমন তো নয়! যে মানুষ নিজের খেয়াল রাখেন, পাড়ার খেয়াল রাখেন, গ্রামের অথবা শহরের জন্য ভাবেন, সেই তো দেশ; তাকেই তো ভালোবাসা উচিত…

এমন মেঘের দিনেও আকাশ ছুঁয়ে যখন দেশের পতাকা ওঠে, তখন হঠাৎ সব মেঘ দূর হয়ে যায়, হাওয়া চলতে শুরু করে। আমাদের পূর্বপুরুষ আমাদের দিকে চেয়ে বলেন— “দেশের জন্য কিছু করিস, বন্ধুর জন্যও…”

ইদানীং প্রচুর মানুষ মজা করে একটা কথা বলে থাকেন, এই স্বাধীনতার দিনেই বেশি করে বোধহয়—

“আমরা কি সত্যিই স্বাধীন?”

আমার মনে হয় মানুষ সবকিছু নিয়ে মজা করতে পারে। GenZ আসার পর তো এরকম কত কথাই মজায় বলে দেওয়া যায়! কিছু ক্ষেত্রে ওরা ভুলও বলে না যদিও! মানুষের এই বলা, বলতে থাকার মতো স্বাধীনতা আর কিসে আছে? যেদিন এই বলার স্বাধীনতাও আর থাকবে না, সেদিন হয়তো ওই মজা করে বলা শব্দগুলো আসলেই বলতে হবে! মানুষের অধিকার কাড়তে এলে মানুষ তো বিদ্রোহ করবেই…

এই তো সেদিন অভিমান করে একটা বাচ্চা ছেলে বাড়ি ছেড়ে চলে গেল, এখনও ফেরেনি শুনলাম। আমাদের দেশেও ওই একই বাচ্চা অভিমান করেছে, ফিরতে চাইছে না কিছুতেই। জানি না কী দিয়ে অভিমান ভাঙানো হবে ওর! কবে কোন তারিখে ওর আকাশ থেকে মেঘ সরে যাবে, পত্পত্ করে উড়বে গৌরব…

আমি যে পাড়ায় থাকি এখন, সেখানে কালীমন্দিরের সামনে পতাকা উত্তোলন করা হয় প্রত্যেক বছর। সবাই সোজা টানটান দাঁড়িয়ে চোখ বন্ধ করে ‘জন গণ মন’ গাই—একটাও ভুল উচ্চারণ নয়, কেউ আগে-পরে নয়! সমতা বোধহয় এভাবেই আসে। এরপর লাড্ডু খেয়ে যে যার কাজে চলে যায়। থেকে যায় শক্তি আর ভক্তির মেলবন্ধন। দেশ বলতে তো আমি এটাই বুঝে এসেছি এতদিন…

অন্যান্য প্রতিবেদন.