ক্রেনশক্তিতে উপড়ে গেলো নেহেরু মূর্তি;কংগ্রেস-বিজেপি-তৃণমূলের ত্রিমুখী তরজা ভারতের শেষ গ্রামে দুর্বিষহ জীবন, পদ্মা নদীর ছন্দেই বাঁচে ওরা! নেই হাসপাতাল, স্কুল, রোজগার! ভাতের বদলে কাফন? ১৯৫৯ সালের যে রক্তক্ষয়ী আন্দোলনে কেঁপেছিল রাইটার্স! আহমেদাবাদের স্টাডি সার্কেলে হামলা; নিষিদ্ধ আনা ফ্রাঙ্ক,মালালা ইউসুফজার! কেন বুদ্ধবাবু পারেননি তসলিমাকে নিরাপত্তা দিতে? কেন বিজেপি ফেরাল? কার দখলে বাংলার বিরোধী রাজনীতি? তৃণমূলের শেষে আশার আলো দেখছে CPIM? কার দখলে বাংলার বিরোধী রাজনীতি? তৃণমূলের শেষে আশার আলো দেখছে CPIM? ককরোচদের (CJP) আন্দোলনে জেরবার BJP! কোন পথে ঐতিহাসিক জয় প্রশান্ত কিশোরের? নেপথ্যে ছাত্র আন্দোলন! BJP-র বিরুদ্ধে একজোট হচ্ছে মানুষ? বাঁকিপুর ভাবাচ্ছে নরেন্দ্র মোদীকে নেপথ্যে ছাত্র আন্দোলন! BJP-র বিরুদ্ধে একজোট হচ্ছে মানুষ? বাঁকিপুর ভাবাচ্ছে নরেন্দ্র মোদীকে

‘ধর্মনিরপেক্ষ নারীরা ধর্ষণ উপভোগ করেন’, হিন্দুত্ববাদী টিজি মোহনদাসের বিতর্কিত মন্তব্যে দায়ের মামলা

১৫ জন
পড়েছেন

প্রতিবেদন টি শেয়ার করুন

যন্তর-মন্তরের প্রতিবাদীদের নিয়ে কুমন্তব্যের জেরে হিন্দুত্ববাদী মতাদর্শবিদ টি. জি. মোহনদাসের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে তিরুবনন্তপুরম সিটি সাইবার পুলিশ। উইকিপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, কেরলে বিজেপির প্রাক্তন ‘ইন্টেলেকচুয়াল সেল’-এর কনভেনর ছিলেন মোহনদাস । একটি ৩০ মিনিটের ইউটিউব ভিডিওতে মোহনদাস মন্তব্য করেন যদি আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব তাঁর হাতে থাকত, তাহলে তিনি গুলি চালাতেন। তিনি দাবি করেন, ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ মহিলারা গণধর্ষণ ‘উপভোগ করেন’। 

তাঁর এই মন্তব্যের জেরে ক্ষোভে ফেটে পড়েন আন্দোলনকারীদের একাংশ। দ্য হিন্দু-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-র ১৯২ এবং ৩৫৩(১)(খ) ধারা, তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৬৬ ধারা এবং কেরল পুলিশ আইনের ১২০(ও) ধারা-য় মামলা রুজু হয়েছে। দাঙ্গায় উস্কানি এবং জনঐক্য ভাঙার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। 

২৬ জুলাই নিজের ইউটিউব চ্যানেল ‘পত্রিকা’-য় প্রকাশিত প্রায় ৩০ মিনিটের একটি ভিডিওতে মোহনদাস মালায়ালম ভাষায় বিশদে জানান, তিনি হলে কীভাবে আন্দোলন দমন করতেন। ভিডিওটি এখনও তাঁর ইউটিউব চ্যানেলে রয়েছে। ভিডিওতে মোহনদাসকে বলতে শোনা যায়, যন্তর মন্তরের চারপাশে প্রায় ৪ বর্গকিলোমিটার এলাকায় কার্ফু জারি করতাম। তারপর তিন বার ঘোষণা করতাম, সবাই সরে যান। এরপর গুলি চালাতাম। সবাই প্রাণ বাঁচাতে পালাত। কেউ মারা যেত, কেউ স্থায়ীভাবে পঙ্গু হয়ে যেত। চার ঘণ্টার মধ্যেই পরিস্থিতি শান্ত হয়ে যেত। তারপর মৃতদেহগুলি সংগ্রহ করে হাসপাতালে পাঠাতাম।” আন্দলোনরত মহিলাদের উদ্দেশ্যে তার মন্তব্য, “গণধর্ষণ হবে। কিন্তু অভিযোগ হবে না, কারণ এরা ধর্ষণ পছন্দ করে। বিশেষ করে বামপন্থী, সেকুলার, গণতান্ত্রিক ও সর্বহারা শ্রেণির মহিলারা। এই ধরনের ঘটনায় কেউ মারা গেলে, তাকেই আবার শহিদ বানানো হবে।” 

মোহনদাসের ভিডিও

তার এই মন্তব্যের পরেই স্টুডেন্টস ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (SFI) এবং অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস ফেডারেশন (AISF)-এর নেতারা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। জাতীয় কংগ্রেসের তরফেও তার এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করা হয়। 

যদিও মোহনদাসের বক্তব্যের দায় নিতে অস্বীকার করেছে RSS। ২৮ জুলাই প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে আরএসএস দক্ষিণ কেরলমের যুগ্ম প্রাদেশিক সম্পাদক কে. বি. শ্রীকুমার জানান, মোহনদাসের মন্তব্য সম্পূর্ণ তাঁর ব্যক্তিগত মত। এর সঙ্গে আরএসএসের কোনও সম্পর্ক নেই। পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট করে বলেন, মোহনদাস আরএসএসের কোনও স্তরেই পদাধিকারী নন। 

অন্যান্য প্রতিবেদন.