ক্যাম্পাসে গ্রাফিতিতে চুনকাম ও রাষ্ট্রের ছায়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় বন্ধ করে সার্বিক হোক নির্বাচন! তবেই সাপমুক্তি হবে পশ্চিমবঙ্গের? বিজেপির বিরুদ্ধে ভোটে জিতে মোদীর সঙ্গে ব্রেকফাস্ট! সায়নী, কাকলীরা আর জিতবেন? প্রতিবাদী মানেই ‘অ্যান্টিন্যাশনাল’ নয়, ভাগবতের কথা কি মাথায় রাখবে তথাকথিত ‘দেশভক্ত’রা? বাঁকিপুরের ঝাঁকি, সঙ্গে CJP! ঘুরে দাঁড়াতে পারবে BJP? গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কাঁটা মোদী-শাহ’র CPIM থেকে BJP হয়ে তৃণমূল! বিরোধী হলেই কাদা-ডিম্ ছোঁড়ার রাজনীতি বাংলায়, কবে বদলাব আমরা? জমিতেও হিন্দু-মুসলমান? মুখ্যমন্ত্রীর ‘ল্যান্ড জিহাদ’ মন্তব্যে শোরগোল বঙ্গ রাজনীতিতে রেখা পাত্রের বিরুদ্ধে বাড়ি দখলের অভিযোগ, শর্বরীর বিরুদ্ধে দোকান! তোলাবাজির TMC-BJP হয়?

মেঘের কথা বলতে গিয়ে…

৬১ জন
পড়েছেন

প্রতিবেদন টি শেয়ার করুন

আলোর কথা বলতে গিয়ে হারিয়ে ফেলি খেই,
আকাশ দু-ভাগ ফারাক হলো চমক দেখাতেই।
টিনের চালের ফুটোর কথা জমিয়ে রেখে চালে,
বাসন-বাটি জড়ো করে দিনগুলো বাঁচালে…

মেঘ বড় সুন্দর জিনিস লোকসকল! মেঘের মায়ায় সংসার চলে, মানুষ চলে, কুকুরও চলে লেজ নাড়িয়ে! আমার-তোমার জানালায় বৃষ্টি নামলে আলো কমে আসে ধীরে ধীরে, যেন কোনো পটার ছড়ির স্পেলে ঝুমঝুম করে দিল দুপুর…

আমি হ্যাংলার মতো মেঘ চেয়ে থাকি, চাতকের মতো জল, প্রেমিকের মতো প্রিয় মানুষের ছোঁয়ায় হারাতে থাকি নিষ্ফল! মানুষ মেঘ দেখলে প্রেমিক হয়, অথবা অসহায়…

একদিন ভরদুপুরে সন্ধ্যে নামার মতো করে বৃষ্টি নামলো। ঝিলের জল এক নিমেষে নৌকা বাওয়া নদী হয়ে গেল—বন্ধুর চোখ যমুনা! আমি বন্ধুর চোখে সাঁতার দিতে গিয়ে আবার খেই হারালাম; লেজ নাড়াতে নাড়াতে কুকুর গোল হয়ে বসলো আমাদের মাঝে, আকাশ ফারাক হলো, থমকে গেল যমুনার জল…

বৃষ্টি হলে গ্রামের বাড়িতে কাদা হয়ে যেত, পা ডুবে যেত কাদায়। সেই কাদা-ভারী পা নিয়ে মাথায় চিকচিকি গলিয়ে পাড়া ঘুরতে যেতাম। মূল উদ্দেশ্য ছিল সামনের পুকুরের মাছেদের কী হালচাল, সেটা দেখতে যাওয়া। অদ্ভুত সব খালবিল পেরোতেই আবার বিছানার মতো করে বৃষ্টি নামতো! আমরা একছুটে বাড়ি ফিরে যেতাম তক্ষুনি। বৃষ্টির জলে কাদায় ছুট্টে স্লাইড করে ধপাস করে পড়তাম! একবার নাক ফেটেও গিয়েছিল! এখন আর ফেরা হয় না যদিও…

এরকমই এক বর্ষার দিনে শ্মশান গেছি। বন্ধুর মাথার ছাদ ভাঙলো সে বর্ষায়, বন্ধুও! সেদিন প্রথম নিজেকে বড় মনে হচ্ছিল; মনে হচ্ছিল নিজের সবটুকু দিয়ে থেকে যাবো বন্ধুর পাশে! তবু চোখের জল তো আর বর্ষার জল না! মানুষ কত কিছু চায়—ভালো চায়, খারাপ চায়; কিন্তু চাইলেই কি হয়! বন্ধু বোধহয় ভালো আছে এখন…

এখনও বর্ষার জল দেখি আর টুকরো ছবিগুলো ভেসে ভেসে ওঠে মেঘের মতো। যতটুকু ফেরা যায় অতীতে, তার চেয়েও বেশি ফিরে গেছি বহুবার। তোমাদেরও তো বর্ষার জল গায়ে লাগে—ফেরা হয়ে ওঠে?

অন্যান্য প্রতিবেদন.