ক্রেনশক্তিতে উপড়ে গেলো নেহেরু মূর্তি;কংগ্রেস-বিজেপি-তৃণমূলের ত্রিমুখী তরজা ভারতের শেষ গ্রামে দুর্বিষহ জীবন, পদ্মা নদীর ছন্দেই বাঁচে ওরা! নেই হাসপাতাল, স্কুল, রোজগার! ভাতের বদলে কাফন? ১৯৫৯ সালের যে রক্তক্ষয়ী আন্দোলনে কেঁপেছিল রাইটার্স! আহমেদাবাদের স্টাডি সার্কেলে হামলা; নিষিদ্ধ আনা ফ্রাঙ্ক,মালালা ইউসুফজার! কেন বুদ্ধবাবু পারেননি তসলিমাকে নিরাপত্তা দিতে? কেন বিজেপি ফেরাল? কার দখলে বাংলার বিরোধী রাজনীতি? তৃণমূলের শেষে আশার আলো দেখছে CPIM? কার দখলে বাংলার বিরোধী রাজনীতি? তৃণমূলের শেষে আশার আলো দেখছে CPIM? ককরোচদের (CJP) আন্দোলনে জেরবার BJP! কোন পথে ঐতিহাসিক জয় প্রশান্ত কিশোরের? নেপথ্যে ছাত্র আন্দোলন! BJP-র বিরুদ্ধে একজোট হচ্ছে মানুষ? বাঁকিপুর ভাবাচ্ছে নরেন্দ্র মোদীকে নেপথ্যে ছাত্র আন্দোলন! BJP-র বিরুদ্ধে একজোট হচ্ছে মানুষ? বাঁকিপুর ভাবাচ্ছে নরেন্দ্র মোদীকে

এবার মমতার গাড়িতে কাদা… ‘জনরোষ’ কি সিলেক্টিভ?

২৮ জন
পড়েছেন

প্রতিবেদন টি শেয়ার করুন

গত কয়েকদিন ধরেই বাংলায় জনরোষের ঘটনা বেশ ঘন ঘন ঘটছে। এবার জনরোষের শিকার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার কাঁচরাপাড়ায় পুলিশি হেফাজতে মৃত তৃণমূলের কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান একদল মানুষ। তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে ছোড়া হয় চটি, কাদা। ওঠে চোর চোর স্লোগান। বড় বড় ইটও ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন বিজেপির গুন্ডারা এই কাজ করেছে। বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমার মাথা ফেটে যেত। এখানে আমরা মরে যেতাম। পুলিশ বিজেপিকেই প্রোটেকশন দিচ্ছে।’’ 

অভিষেককে ডিম থেরাপি

গত কয়েকদিন ধরেই কার্যত রাজ্যরাজনীতিতে ট্রেন্ডে ডিম থেরাপি। তৃণমূলের কাউন্সিলর, ছোট নেতারা এই হেনস্থার সবচেয়ে বেশি শিকার। তবে ডিমের কবল থেকে রক্ষা পাননি কুণাল ঘোষ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এমনকি বাম নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ের গাড়িতেও ডিম মারার ঘটনা ঘটেছে। আর অদ্ভুতভাবে বেশিরভাগ ঘটনাতেই এই জনরোষ ঠেকাতে পুলিশকে কার্যত অপারগ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। এই জনরোষের ঘটনায় ‘জন’দের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠিন পদক্ষেপ করার ঘটনাও বিরল।

মীনাক্ষীর গাড়িতে ডিম

আবার গত ২৪ জুলাই কলকাতায় নিটের বিক্ষোভ মিছিলে সাংবাদিকদের উপর জনরোষের ঘটনা ঘটে। সাংবাদিকদের একাংশ হেনস্থার শিকার হয়৷ তাঁদের কারও কারও গায়ে হাত তোলা হয়, গদি মিডিয়া স্লোগান ওঠে। আবার এই ঘটনার প্রতিবাদে পাল্টা মিছিল বের হয় ধর্মতলায়। বিজেপির তরফেও করা হয় তেরঙ্গা যাত্রা।

বিদ্রোহী তৃণমূলের সাংসদদের সঙ্গে মোদি

আজকের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘এত চুরি করেছেন, চোর তো শুনতে হবে। হেলিকপ্টারে উঠলে কানে লাগিয়ে দেয় না? ওগুলো লাগিয়ে নিন। এত বিপুল জনরোষ! আজ তো অভয়ার বাড়িতে গলায় গামছা নিয়ে যেতে পারতেন। বলতে পারতেন, ‘রত্নাদি ক্ষমা করে দিন’!

ঋতব্রতর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী

অন্যদিকে তৃণমূলের সব নেতা মন্ত্রীদের কিন্তু আবার একই ট্রিটমেন্ট মিলছে এমনটা নয়। তৃণমূলের ২০ জন সাংসদ থুড়ি বর্তমানে NCPI- সাংসদদের খাতির আবার রাজ্য থেকে কেন্দ্রে আলাদা। তাঁদের ডিম ছোড়া তো দূরস্ত, তাঁদের সঙ্গে বসে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী মিটিং করেছেন, ডিনার করছেন৷ এদিকে বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-এর শিবিরের বিধায়কদের বিরুদ্ধেও বিশেষ জনরোষের ঘটনা ঘটছে না। অথচ তারাও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতীক ব্যবহার করেই ভোটে জিতে এসেছিলেন৷ তাই কোন যুক্তিতে কেবল একাংশ আক্রান্ত হচ্ছেন তা আলোচনা সাপেক্ষ। সঙ্গে বিরোধীদের সঙ্গে সৌজন্যের রক্ষার সম্পর্কটুকুরই কি হারিয়ে যেতে বসেছে? জনরোষ কি তবে সিলেক্টিভ? এই প্রশ্নও উঠছে।

অন্যান্য প্রতিবেদন.