সাংবাদিক সম্মেলন, শেখ হাসিনা ফের খবরে! তারেক নাকি হাসিনা? কী ভাবছে দিল্লী? ক্যাম্পাসে গ্রাফিতিতে চুনকাম ও রাষ্ট্রের ছায়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় বন্ধ করে সার্বিক হোক নির্বাচন! তবেই সাপমুক্তি হবে পশ্চিমবঙ্গের? বিজেপির বিরুদ্ধে ভোটে জিতে মোদীর সঙ্গে ব্রেকফাস্ট! সায়নী, কাকলীরা আর জিতবেন? প্রতিবাদী মানেই ‘অ্যান্টিন্যাশনাল’ নয়, ভাগবতের কথা কি মাথায় রাখবে তথাকথিত ‘দেশভক্ত’রা? বাঁকিপুরের ঝাঁকি, সঙ্গে CJP! ঘুরে দাঁড়াতে পারবে BJP? গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কাঁটা মোদী-শাহ’র CPIM থেকে BJP হয়ে তৃণমূল! বিরোধী হলেই কাদা-ডিম্ ছোঁড়ার রাজনীতি বাংলায়, কবে বদলাব আমরা? জমিতেও হিন্দু-মুসলমান? মুখ্যমন্ত্রীর ‘ল্যান্ড জিহাদ’ মন্তব্যে শোরগোল বঙ্গ রাজনীতিতে

ক্ষুদিরামের আত্মবলিদানের দিনে ‘জেনজি সংহতি কর্মসূচি’, আজ কলকাতায় নেহা বোরা

২৯ জন
পড়েছেন

প্রতিবেদন টি শেয়ার করুন

আজ মহান বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর আত্মবলিদানের দিন। যেই সময় তিনি দেশের জন্য হাসিমুখে ফাঁসির দড়ি গলায় পরেছিলেন তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১৮। অর্থাৎ যা এখনকার জেনজি-দের গড় বয়স। এই ঐতিহাসিক দিনেই কলকাতায় আসছেন দিল্লির আন্দোলনের অন্যতম প্রতিবাদী মুখ তথা সিপিএমএল (লিবারেশন)-এর ছাত্র সংগঠন আইসার সর্বভারতীয় নেত্রী নেহা বোরা (Neha Bora)।  দিন কয়েক আগে ঝাড়খণ্ডের ছাত্র আন্দোলনকে সংহতি জানাতে গিয়ে আক্রমণের শিকার হন এই ছাত্রনেত্রী। তাঁকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয় কালি। তবুও আন্দোলন ছেড়ে আসেননি নেহা। কালি গায়ে মেখেই নেহা বার্তা দেন, ছাত্রদের গর্বই হল কালি। এই কালি দিয়েই তিনি নয়া ভবিষ্যৎ লিখবেন। 

সারা দেশ জুড়ে একাধিক শহরে সংযোগ স্থাপনের জন্য ‘জেনজি সংহতি’ যাত্রা শুরু করেছেন নেহা বোরা। পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী সুকিয়া স্ট্রিটের রামমোহন লাইব্রেরি হলে ছাত্রসংগঠন AISA সহ, SFI, DSO, জুনিয়র ডাক্তার ফ্রন্টের নেতৃত্বরা উপস্থিত থাকবেন। মূল বক্তা নেহা সঙ্গে মূল্যবান বক্তব্য রাখবেন SFI-এর রাজ্য সভাপতি প্রণয় কার্য্যী,  DSO-র রাজ্যসম্পাদক বিশ্বজিৎ রায়, আরজি কর আন্দোলনের অন্যতম মুখ জুনিয়র ডাক্তার ফ্রন্টের নেতৃত্ব দেবাশীষ হালদার সহ যোগ্য শিক্ষক মঞ্চের অন্যতম বিক্ষোভকারী মেহবুব মণ্ডল। 

এই সব সংগঠনগুলির মধ্যেই মতাদর্শগত কিছু ভিন্নতা থাকলেও বৃহত্তর বাম ঐক্যের স্বার্থে এক হয়েছেন তাঁরা। গত বিধানসভা ভোটেও সিপিএম এবং লিবারেশনের মধ্যে এই বোঝাপড়ার ইঙ্গিত দেখা গিয়েছিল। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে এককাট্টা হয়েছেন তাঁরা। রামমোহন লাইব্রেরি হলে নেহার কর্মসূচির পর প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনের কথা আছে তাঁর। 

উত্তরাখণ্ডের রক্ষণশীল পরিবারের মেয়ে নেহা পরবর্তীতে বাম মতাদর্শের দ্বারা প্রভাবিত হন। পরিবারের পূর্ণ সমর্থন না মিললেও আদর্শ থেকে বিচ্যুতি ঘটেনি তাঁর। ২৩ দিনের টানা অনশনে নিজেদের দাবি দাওয়া ছিনিয়ে এনেছেন নেহারা। শপথ নিয়েছেন এই দেশের আগামী প্রজন্মকে একটি দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা উপহার দেওয়ার। সেই নেহা আজ কলকাতায়। পালাবদলের পর নেহার কলকাতায় আসা নিঃসন্দেহে সাহসী পদক্ষেপের একটি। কিন্তু যে মেয়ে মুখে কালি নিয়েই বলতে পারেন “দিল্লির আন্দোলনে আমি পেলেট বন্দুকের গুলি ও লাঠিচার্জের মুখে পড়েছি। কালি ছিটিয়ে আমাকে এভাবে ভয় দেখানো যাবে না।”  ক্ষুদিরামের বাংলায় নিশ্চিত নিজেদের দাবিদাওয়ার কথাও সদর্পে শান্তিপূর্ণ ভাবে বলে যেতে পারবেন নেহা। 

অন্যান্য প্রতিবেদন.