আম আদমির কিস্তি বনাম শিল্পপতির হাজার কোটি টাকা মকুব: সুভাষ চন্দ্রের রায়ে প্রশ্নবিদ্ধ করপোরেট নীতি ক্রেনশক্তিতে উপড়ে গেলো নেহেরু মূর্তি;কংগ্রেস-বিজেপি-তৃণমূলের ত্রিমুখী তরজা ভারতের শেষ গ্রামে দুর্বিষহ জীবন, পদ্মা নদীর ছন্দেই বাঁচে ওরা! নেই হাসপাতাল, স্কুল, রোজগার! ভাতের বদলে কাফন? ১৯৫৯ সালের যে রক্তক্ষয়ী আন্দোলনে কেঁপেছিল রাইটার্স! আহমেদাবাদের স্টাডি সার্কেলে হামলা; নিষিদ্ধ আনা ফ্রাঙ্ক,মালালা ইউসুফজার! কেন বুদ্ধবাবু পারেননি তসলিমাকে নিরাপত্তা দিতে? কেন বিজেপি ফেরাল? কার দখলে বাংলার বিরোধী রাজনীতি? তৃণমূলের শেষে আশার আলো দেখছে CPIM? কার দখলে বাংলার বিরোধী রাজনীতি? তৃণমূলের শেষে আশার আলো দেখছে CPIM? ককরোচদের (CJP) আন্দোলনে জেরবার BJP! কোন পথে ঐতিহাসিক জয় প্রশান্ত কিশোরের?

ভালবাসাই পরিবর্তনের হাতিয়ার, জেনজি-দের দর্দ, ডেটা, দৌলত নিয়ে সরব রাহুল

৭ জন
পড়েছেন

প্রতিবেদন টি শেয়ার করুন

দেশের সিস্টেমে একটা জোরদার ধাক্কা দিয়ে নিজেদের দাবিদাওয়া ছিনিয়ে এনেছে নতুন প্রজন্ম। জেনজি-দের খুশি করতে মরিয়া সরকার থেকে বিরোধীরা। শনিবার উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে আয়োজিত কনসার্টের আদলে সাজানো Chhatron Ki Goonj-অনুষ্ঠানে দেশের যুবসমাজের পিঠ চাপড়ে দেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। দেশের যুবসমাজকে ভারতের সবচেয়ে বড় শক্তি বলে উল্লেখ করেন রাহুল। তাঁর কথায় যে এই যুবসমাজ যে বিপুল পরিমাণ ডেটা তৈরি করে, একবিংশ শতাব্দীতে সেটিই দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠবে। 

এর আগে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা নিয়ে তৈরী হয়েছিল প্রশাসনিক জটিলতা। বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া পড়ুয়াদের সঙ্গে লোকসভা সাংসদের সরাসরি মতবিনিময়ের উদ্দেশ্যে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। কেপি গ্রাউন্ডের পরিচালন সমিতি কায়স্থ পাঠশালা ট্রাস্ট অনুষ্ঠানটির অনুমতি প্রত্যাহার করে। এরপর ২০২৫ সালের ১৪ অগস্ট এলাহাবাদ হাইকোর্টের একটি নির্দেশের উল্লেখ করে ফের এই অনুষ্ঠানের অনুমতি আদায় করা হয়। 

চেনা সাদা টিশার্ট ছেড়ে এদিন রাহুলের পরনে ছিল গোলাপি রঙের পোলো। দেশের তরুণ প্রজন্মের দর্দ (কষ্ট), ডেটা (তথ্য) এবং দৌলত (সম্পদ)- ছিল রাহুলের বক্তব্যের মূল বিষয়। অর্থাৎ নতুন প্রজন্ম যে সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন এবং অর্থনীতিতে তাঁদের প্রভাব নিয়ে কথা বলেন তিনি। 

তিনি উল্লেখ করেন তরুণ প্রজন্মের তৈরি করা বিপুল পরিমাণ ডেটা বড় বড় কর্পোরেট সংস্থার স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে। অথচ তাঁদের কর্মসংস্থান দিতে ব্যর্থ এই সরকার। কাজের সুযোগ না থাকায় অনিশ্চয়তার দিকে ঝুঁকছে এদেশের তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ। তাঁর অভিযোগ, বর্তমানে দেশের যুবসমাজ একটি ‘চক্রব্যূহে’ আটকে পড়েছে। একদিকে উচ্চশিক্ষার খরচ ক্রমেই হুহু করে বাড়ছে, অন্যদিকে ডিগ্রি ও সার্টিফিকেট অর্জন করেও কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা মিলছে না। আগে ভাল লেখা পড়ার মানদণ্ড ছিল ভাল চাকরি। কিন্তু হালফিলে ভাল সার্টিফিকেট থাকলেও যোগ্য চাকরির নিশ্চয়তা নেই। আর এর জেরেই রিলের আসক্তিও বাড়ছে অত্যন্ত মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের। দেশের ১০০ জনের মধ্যে মাত্র ১২ জন স্থায়ী চাকরি পান- বলে কেন্দ্র সরকারকে খোঁচা দেন রাহুল। জিও, আদানি, ফেসবুক ও গুগলের মতো বড় কর্পোরেট সংস্থা চলছেই তরুণদের ডেটার উপর ভিত্তি করে। তাঁর বক্তব্য, এইভাবে তরুণদের মনোযোগ ও তৈরি করা ডেটা ব্যবহার করে বড় সংস্থাগুলি লাভবান হচ্ছে। 

দিল্লি-সহ দেশের বিভিন্ন শহরে সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে রাহুল বলেন ভারতের তরুণ প্রজন্ম সিস্টেমকে প্রশ্ন করতে শুরু করেছে। এভাবেই পরবর্তন আনা সম্ভব। তবে হিংসা বা ঘৃণা নয়, ভালবাসা আর স্নেহ দিয়েই পরিবর্তন আনতে হবে, সিস্টেম বদল করতে হবে- বার্তা রাহুলের। 

অন্যান্য প্রতিবেদন.