Delay in teacher recruitment west bengal ২৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগে সুপ্রিম কোর্টে অতিরিক্ত সময় চাইছে রাজ্য ও এসএসসি সাংবাদিক সম্মেলন, শেখ হাসিনা ফের খবরে! তারেক নাকি হাসিনা? কী ভাবছে দিল্লী? ক্যাম্পাসে গ্রাফিতিতে চুনকাম ও রাষ্ট্রের ছায়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় বন্ধ করে সার্বিক হোক নির্বাচন! তবেই সাপমুক্তি হবে পশ্চিমবঙ্গের? বিজেপির বিরুদ্ধে ভোটে জিতে মোদীর সঙ্গে ব্রেকফাস্ট! সায়নী, কাকলীরা আর জিতবেন? প্রতিবাদী মানেই ‘অ্যান্টিন্যাশনাল’ নয়, ভাগবতের কথা কি মাথায় রাখবে তথাকথিত ‘দেশভক্ত’রা? বাঁকিপুরের ঝাঁকি, সঙ্গে CJP! ঘুরে দাঁড়াতে পারবে BJP? গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কাঁটা মোদী-শাহ’র CPIM থেকে BJP হয়ে তৃণমূল! বিরোধী হলেই কাদা-ডিম্ ছোঁড়ার রাজনীতি বাংলায়, কবে বদলাব আমরা?

খুলে নেওয়া হচ্ছে মসজিদের মাইক! কতটা গণতান্ত্রিক? জানতে চাইলেন নওশাদ

২৪ জন
পড়েছেন

প্রতিবেদন টি শেয়ার করুন

রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে মসজিদের মাইক খুলে নেওয়ার একগুচ্ছ অভিযোগ পেয়েছেন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। ৪ঠা মে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরেই মাইকের আওয়াজের ডেসিবল বেঁধে দিয়েছিল রাজ্য সরকার। এরপরেও কেন মাইক খুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দেওয়া হচ্ছে, বা মাইক খুলে নিতে বাধ্য করা হচ্ছে, জানতে চেয়ে পুলিশকে চিঠি দেন নওশাদ সিদ্দিকী। সঙ্গে বিধায়ক তাঁর ফেসবুক পোস্টে জানান, ‘এই বিষয়ে সাধারণ মানুষকে একান্ত অনুরোধ কোনওরকম প্ররোচনা অথবা চক্রান্তে পা দেবেন না। এই বিষয়ে আইনী লড়াইয়েরও প্রস্তুতি নিচ্ছি।’ 

নওশাদ চিঠিতে উল্লেখ করেছেন কোনওরকম নোটিশ ছাড়াই মসজিদের মাইক খুলে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। কিছু জায়গায় ভোরের আজানও মাইকে দেওয়া যাবে না বলে জোর করা হচ্ছে- বলে অভিযোগ। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা মনে করিয়ে দিয়ে নওশাদ প্রশ্ন করেন যেখানে শর্ত মেনে মাইক ব্যবহারের আইন রয়েছে। সেখানে সম্পূর্ণ মাইক খুলে দেওয়ার নিদান দেওয়া হচ্ছে কিসের ভিত্তিতে ? 

নওশাদের চিঠি

গণতান্ত্রিক দেশে সকলেরই মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং নিজ ধর্ম পালনের স্বাধীনতা রয়েছে কাউকে ক্ষতি না করে। চিঠিতে এও তিনি উল্লেখ করেন শব্দদূষণ সংক্রান্ত অভিযোগ থাকলে আগে নোটিশ দেওয়া হোক। তাঁর দাবি, সেক্ষেত্রে আইন সকলের জন্যেই সমান হওয়া উচিত। রাজনৈতিক প্রচার, সামাজিক অনুষ্ঠান ,সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ধর্মীয় কর্মসূচির ক্ষেত্রেও মাইকের ব্যবহারের আইন প্রয়োগ করা উচিত। সেই প্রেক্ষিতে মাইক ব্যবহারের আইনি নিয়ম কানুন নিয়ে তাঁকে অবগত করার আর্জি জানিয়েছেন ভাঙড়ের বিধায়ক। 

রাজ্যজুড়ে মাইক ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি অভিন্ন নীতি প্রয়োজন বলে মনে করছেন নওশাদ। দরকারে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।  তিনি লিখছেন, ‘কোনো অবস্থাতেই মৌখিক নির্দেশ বা বলপ্রয়োগের মাধ্যমে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায় না। এটাও বলার অপেক্ষা রাখে না যে পুলিশের এই আচরণ দেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪, ১৯, ২১ এবং ২৫ থেকে ২৮-এ প্রদত্ত মৌলিক অধিকারগুলির, যেখানে বিশেষ অনুচ্ছেদগুলিতে নাগরিকদের ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার (Right to Freedom of Religion) বলবৎ আছে, তাকে সরাসরি লঙ্ঘন করছে।’ এই বয়ানে চিঠি দিয়ে তিনি জানতে চান, এই ধরনের কোন নির্দেশ পুলিশের নিকট থেকে কি দেওয়া হয়েছে? যদি দেওয়া হয়ে থাকে তার নোটিশ অবিলম্বে মসজিদ গুলোকে দেওয়া হোক। সঙ্গে এই ধরনের কার্যকলাপ বাংলার ধর্মীয় সম্প্রীতির পরিপন্থী বলেও উল্লেখ করেন তিনি। 

অন্যান্য প্রতিবেদন.