বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় বন্ধ করে সার্বিক হোক নির্বাচন! তবেই সাপমুক্তি হবে পশ্চিমবঙ্গের? বিজেপির বিরুদ্ধে ভোটে জিতে মোদীর সঙ্গে ব্রেকফাস্ট! সায়নী, কাকলীরা আর জিতবেন? প্রতিবাদী মানেই ‘অ্যান্টিন্যাশনাল’ নয়, ভাগবতের কথা কি মাথায় রাখবে তথাকথিত ‘দেশভক্ত’রা? বাঁকিপুরের ঝাঁকি, সঙ্গে CJP! ঘুরে দাঁড়াতে পারবে BJP? গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কাঁটা মোদী-শাহ’র CPIM থেকে BJP হয়ে তৃণমূল! বিরোধী হলেই কাদা-ডিম্ ছোঁড়ার রাজনীতি বাংলায়, কবে বদলাব আমরা? জমিতেও হিন্দু-মুসলমান? মুখ্যমন্ত্রীর ‘ল্যান্ড জিহাদ’ মন্তব্যে শোরগোল বঙ্গ রাজনীতিতে রেখা পাত্রের বিরুদ্ধে বাড়ি দখলের অভিযোগ, শর্বরীর বিরুদ্ধে দোকান! তোলাবাজির TMC-BJP হয়? সেক্যুলার নেতাজির আদর্শ নিয়ে সমস্যা BJP-র! তাই অনন্ত মহারাজ এখনও বাইরে?

দেবী দুর্গার আগমনের আগেই বর্ষায় মা মনসার আগমনে ঐতিহ্য -পরম্পরা ও আধুনিকতার মিশেলে সাজোসাজো রব রাঢ় বাংলায়

১৪০ জন
পড়েছেন

প্রতিবেদন টি শেয়ার করুন

প্রবাদে বলে ‘ মানুষ’ই দেবতা গড়ে’ একথা যেন আরো অক্ষরে অক্ষরে প্রমান হয় প্রত্যেক ঋতুতে সারা বাংলাজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বিভিন্ন লোকদেবতার পুজো দেখলে | প্রাচীনকালে মানুষের আত্মরক্ষার তাগিদে, কিংবা অজ্ঞতা ভয় ভীতি ও কুসংস্কার এর জন্যই লোকদেবতা দের জন্ম, একথা অবশ্যই সত্যি, পাশাপাশি এ’ ও স্বীকার করে নিতে হয় যে লোক- উৎসব, লোকসঙ্গীত, লোকবাদ্য, লোকনৃত্য সহ সমস্ত লোকসংস্কৃতি’ ই গড়ে উঠেছে লোকদেবতাদের কেন্দ্র করেই | ক্রান্তীয় চরমভাবাপন্ন জলবায়ু সম্পন্ন পরিবেশ হওয়ায় রাঢ় অঞ্চলে সাপেদের উপদ্রব অনেক বেশী, বর্ষাকালে প্রায়ই সাপের কামড়ে মানুষের মৃত্যুর খবর আসে রাঢ় বাংলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে | সম্ভবত এই ভয় থেকেই প্রাচীনকালে এই অঞ্চলে বর্ষায় সর্পদেবী মনসার পুজোর প্রচলন হয়েছিল | রাজ্যের অন্যান্য জায়গার মতো এখানে দেবীর পুজো শুধু এক বা দু দিনের নয়, পাড়ায় পাড়ায় মনসা মঙ্গলের সুরের মাধুর্যে লালিত হয়ে রাঢ় বাংলায় দেবী মনসা জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষের দশহারার দিন আগমন করেন বিভিন্ন রীতি রেওয়াজের মধ্যেদিয়ে যা চলে অশ্বিন মাসে মাসের নল সংক্রান্তি বা ‘জিহুড়’ পর্যন্ত | যদিও বেশীরভাগ এলাকায় পুজোর মূল অনুষ্ঠান হয় শ্রাবণ সংক্রান্তির দিন | মনসা পুজোর সঙ্গে শুধু এই অঞ্চলের মানুষদের অধ্যাত্মিক বিশ্বাস জড়িয়ে নেই, এরসঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে শিল্পকলা, ভাস্কর্য, সঙ্গীত, বিনোদন, জাতিভেদ প্রথার বিরোধীতা, পুরুষতন্ত্রের বিরুদ্ধে অবস্থান সর্বোপরি স্থানীয় অর্থনীতি |

 রাঢ় এর বেশীরভাগ এলাকায় মনসা পূজিত হন ‘ থান’ এ |  থান শব্দের উৎপত্তি হয়েছে ‘স্থান’ শব্দ থেকে | থান হলো পুরোনো কোনও বট -অশ্বত্থ- পিয়াল গাছের নীচে একখন্ড শিলা কিংবা কিছু পোড়ামাটির হাতি – ঘোড়া, বা ছোট- বড় মাটির ঢিবির সমাহার যা স্থানীয় মানুষ দেবতারূপে পুজো করে | সময়ের সঙ্গেসঙ্গে এলাকার মানুষের অর্থনৈতিক উন্নতির ওপর নির্ভর করে থান মাটির থেকে সান বাঁধানো হয়েছে, কোথাও কোথাও থানকে কেন্দ্রকরে গড়ে উঠেছে ছোট – বড় মন্দির | একদিকে যেমন ‘ থান’ সংস্কৃতি যুগযুগ ধরে বৃক্ষ তথা প্রকৃতিকে সংরক্ষণ করার উদাহরণ |  অন্যদিকে থানে থাকা এইসব পোড়ামাটির হাতি ঘোড়া দেখতে খুব সাধারণ মনে হলেও শৈল্পিক কদরের দিক থেকে দেখলে প্রাচীনকাল থেকে এই অঞ্চলে পোড়ামাটির কাজ কতটা সমৃদ্ধ ছিল তা বোঝাযায় , প্রসঙ্গত বলে রাখা ভালো কেন্দ্রীয় সরকারের ‘Central Cottage Industries Emporium’ এর লোগোতে ব্যবহৃত বাঁকুড়া জেলার পাঁচমুড়ার পোড়ামাটির যে ঘোড়া ব্যবহার হয়,তা একসময় শুধুমাত্র জেলার বিভিন্ন লোকদেবতার পুজোর জন্যই কারিগররা বানাতো | কেবল হাতি কিংবা ঘোড়া নয়, থানগুলিতে থাকা দেবী মনসার মুখ খোচিত ঘটগুলির শিল্পকর্মও অত্যন্ত নান্দনিক | শুধু পোড়ামাটি নয় বাঁকুড়ার কুটির শিল্প হিসেবে পোড়ামাটির পাশাপাশি,বাঁকুড়া শহর সংলগ্ন বিকনার ডোকারর খ্যাতি ও জগৎজোড়া ;  বিকনা সংলগ্ন এলাকায় মনসার বিভিন্ন থানে পোড়ামাটির পাশাপাশি ডোকরা নির্মিত ঘট কিংবা হাতি – ঘোড়া পুজোর প্রচলন রয়েছে |      

রাঢ় বাংলায় পূজিত টেরাকোটার মনসার ঘট

ধর্ম মানেই তা ‘পুরুষতান্ত্রিক’ কিংবা ধর্ম মানেই তা উচ্চবর্ণের উচ্চ সামাজিক মর্যাদাসম্পন্ন মানুষের চর্বিত চর্বণ এই মিথকে গুঁড়িয়ে বিশেষ কিছু রীতি নিয়ে মনসা পুজো যেন গেয়ে ওঠে প্রকৃত অর্থেই ‘সাম্যের জয়গান’ | বাঁকুড়া জেলার রামসাগর এলাকার অযোধ্যা গ্রামে মনসাপুজো উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয় ‘গৃহিনী সম্মেলন’ বা ‘গিন্নি পালন’ এর অনুষ্ঠান | কথিত আছে বহুবছর আগে গ্রামের বন্দ্যোপাধ্যায় জমিদার বাড়ির গিন্নিমা কে স্বয়ং দেবী স্বপ্নাদেশ দিয়েছিলেন, তারপর থেকে এই রীতি চলে আসছে |  এই অনুষ্ঠানে পুরুষ এবং অবিবাহিত মহিলাদের অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হয়না | রাঢ় বাংলার অন্যান্য একাধিক লৌকিকদেবতার পুজোর মতো মনসা পুজোতেও অনেকক্ষেত্রে ব্রাহ্মণ দের পরিবর্তে গ্রামের বাউরি, বাগ্দী প্রভৃতি সম্প্রদায়ের মানুষ নিজেরাই নিজেদের গ্রামের কিংবা বাড়ির পুজো করে ফেলে |  প্রসঙ্গত বলে রাখা ভালো বর্তমানে সকলের বাড়িতে বা পাড়ায় ঘটা করে পুজো হলেও মূলত এই পুজো ছিলো প্রান্তিক শ্রেণীর দলিত বাউরি, বাগ্দী, সহিস, রুইদাস, মল্ল, লোহার প্রমুখদের পুজো, এখনো তাঁদের মধ্যেই মনসা পুজোর প্রভাব বেশী |পুজো থাকবে আর খাওয়া দাওয়া নিয়ে কোনও উপাচার থাকবেনা ! তা কী আদেও বাংলায় সম্ভব ?  মনসা পুজোও তার ব্যাতিক্রম নয় |  শ্রাবণ মাসের সংক্রান্তি অর্থাৎ শেষদিনে মনসাপুজো হলেও রাঢ় বাংলায় দেবীর ভক্তদের অনেকে শ্রাবণ মাসের প্রত্যেক মঙ্গলবার ও শনিবার লবনযুক্ত খাওয়ার খায়না, পরিবর্তে পিঠে, পায়েস ইত্যাদি ভক্ষণ করে ; এই প্রথাকে বলে ‘আলোন পালন’ |

এক্তেশ্বরের ৩০০০ বছরের প্রাচীন মনসার মূর্তি

অন্যদিকে আরেক শ্রেণীর ভক্তরা সপ্তাহের ওই একই দিনে খই, চিড়ে, দই এসব খেয়ে কাটায় এই প্রথাকে বলা হয় ‘খইঢেরা’ | মনসা পুজোকে কেন্দ্রকরে কোনও কোনও বাড়িতে শ্রাবণ এর সংক্রান্তির দিন কোথাও আবার ভাদ্র মাসের পহেলা তারিখে পালিত হয় ‘অরন্ধন’ বা ‘ পান্তা পরব’ |  পান্তা পার্বনে অঘোষিত ভাবে সিগনেচার আইটেম হিসেবে থাকে সজনে শাক, বিভিন্ন রকমের মাছ ও রাঢ় বাংলার আঞ্চলিক তিল জাতীয় এক বিশেষ ধরনের ফসল ‘খসলা’ দিয়ে তৈরী বিভিন্ন পদ | সরকারি ভাবে বিধিনিষেধ থাকলেও অনেক জায়গায় এখনো মনসার থানে ছাগল, হাঁস, মুরগি বলি খুবই সাধারণ ব্যাপার | মনসা পুজোকে কেন্দ্রকরে পুরুলিয়া শহরে হাঁস, মুরগি বিক্রির যে অস্থায়ী বাজার বসে তার বিক্রিবাটা প্রতি বছরই হয় চমকপ্রদ | অনেক বাড়িতে অরন্ধনের দিন ‘উনোন পুজো’ র রীতি রয়েছে, এই পুজোয় উনোনের চারিদিকে গোবর ছড়া ও আলপনা দিয়ে উননকে ফুল -বেলপাতা দিয়ে সাজিয়ে তার ওপরে মনসা গাছ বা সিজ গাছের ডাল রেখে পুজো করা হয় |               

কয়েক বছর আগেও মনসা পুজোকে কেন্দ্রকরে হৈ হৈ করে শ্রাবণ মাসে গ্রামে গঞ্জে অস্থায়ী মঞ্চ করে ‘ঝাঁপান’ উৎসব পালিত হতো | এই উৎসব বৈচিত্রে যেমন চিত্তাকর্ষক তেমনই ভয়ঙ্কর | এই অনুষ্ঠানে গান – নাচ ও বাজনার সহযোগে মন্ত্রপড়ে, গলায় সাপ জড়িয়ে, সাপ উড়িয়ে, মুখে পুরে গুনিনরা সাপ নিয়ে খেলা প্রদর্শন করতো |  বিষ্ণুপুর রাজবাড়ির ঝাঁপান ছিলো বিখ্যাত, শ্রাবণ সংক্রান্তির দিন গুনিনেরা দলবল সহ হুড়পি বা ঝাঁপি নিয়ে বিষ্ণুপুর রাজবাড়ির সামনে চলে আসতো | কেউ আসতো গরুর গাড়িতে, কেউবা ঘোড়ার পিঠে চড়ে |  হাতে , ঠোঁটে, পিঠে সাপ জড়িয়ে ঢাক বাজাতে বাজাতে ‘ বাজুক বিষম ঢাকি, চলুক ঝাঁপান’ চিৎকারে এলাকা কাঁপিয়ে চলতো তাঁদের সাপখেলার প্রদর্শন | বছরের শ্রেষ্ঠ গুনিনকে রাজ পরিবারের পক্ষথেকে বিশেষ পুরস্কার দেওয়া হতো, সরকারি ভাবে সাপ পোষা ও সাপ খেলা দেখানোয় নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ায় ও ঝাঁপানকে কেন্দ্রেকরে দুর্ঘটনার সংখ্যা বাড়তে থাকায় এখন আর ঝাঁপান বিশেষভাবে দেখতে পাওয়া যায়না | মনসার যেসব প্রাচীন শিলামূর্তি বিভিন্ন জায়গা থেকে পাওয়া গেছে গবেষকরা সেগুলিকে অনেক সময় জৈন ও বৌদ্ধ ধর্মের সঙ্গে হিন্দু ধর্মের সমন্বয়ের প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত করেছেন |  যেমন, গবেষক অমিয় কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ‘ বাঁকুড়ার মন্দির’ বইতে বাঁকুড়া শহরের কাছে অবস্থিতএক্তেশ্বর শিব মন্দিরের মধ্যে থাকা ‘খাঁদারানি’ বা মনসা মূর্তিরূপে পূজিত শিলামূর্তিকে ৩০০০ বছরের পুরনো জৈন মূর্তি বলে উল্লেখ করেছেন | জয়পুর ও কোতুলপুরের মাঝামাঝি এলাকায় রাউতখন্ড গ্রামে ‘জগৎগৌরী’ মন্দিরের যে মূর্তি রয়েছে স্থানীয় অনেক গবেষকদের মতে সেটি অসলে প্রাচীন বৌদ্ধ মূর্তি |  যদিও সারাবছর সেই মূর্তি স্থানীয় গ্রামবাসীদের উদ্যোগে মনসা রূপেই পূজিত হয়, দূরদুরন্ত থেকে সাপেকাটা রোগীরা ছুটে আসে ওঝাদের কাছে | আবার, বিষ্ণুপুর মহকুমার ধারাপাত গ্রামে চার ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট যে মনসা মূর্তি পূজিত হয় অমিয় কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে তা অসলে জৈন তীর্থঙ্কর পার্শ্বনাথের প্রাচীন মূর্তি | শুধু বৌদ্ধ বা জৈন সংস্কৃতির মেলবন্ধন নয় সনাতন ধর্মের শাক্ত ও বৈষ্ণব সংস্কৃতির মেলবন্ধন দেখাযায় পোড়ামাটির মনসার চালির মধ্যে | এই চালিগুলি একটু ভালোকরে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে চালির একেবারে ওপরের অংশে রয়েছে দেবতাদের সেনাপতি কার্ত্তিক, তার আরেকটু নীচে রাধাকৃষ্ণের বিগ্রহ, চালির মাঝে দুইপাশে দুই সখীকে নিয়ে মধ্যমণি হয়ে বিরাজমান দেবী মনসা এবং চালির একেবারে নীচে থাকে একটি বিশালাকার নৌকা | কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত বলেছেন :“ দেবতারে মোরা আত্মীয় জানি, আকাশে প্রদীপ জ্বালি, আমাদেরি এই কুটীরে দেখেছি মানুষের ঠাকুরালি”  কুসংস্কারের বশবর্তী হয়েই হোক বা দেবীকে আত্মীয়জ্ঞানে বরণ করেই হোক কিংবা সহজ সরল বিশ্বাসের জেরেই হোক অনেকসময় রাঢ় এর অনেক প্রান্তিক মানুষদের মধ্যে বর্ষার সময় দেবীর ভর আসার ঘটনাও দেখাযায়, এর ফলে সেইসব মানুষকে নিয়ে এলাকায় এলাকায় বিশেষ উত্তেজনার সৃষ্টি হয় |  কোথাওবা দেবী মনসার কাছে সন্তান কামনা, চর্মরোগের চিকিৎসার জন্যও মানুষ আসে | আবার শ্রাবণ সংক্রান্তির মনসা পুজোর সময় অতিরিক্ত জোরে মাইক বাজানো, ডিজে বক্স বাজানো খুবই সাধারণ বিষয় |  এসব ঘটনার কিছু খারাপ দিক থাকলেও,  রাজ্যজুড়ে দুর্গাপুজোর সময় যেমন বিশাল আর্থিক লেনদেন ও অর্থনীতি গড়ে ওঠে রাঢ় অঞ্চলে মনসাপুজো উপলক্ষে ও তার কিয়দংশ দেখা যায় | মৃৎশিল্পী, ঢাকি, পুরোহিত, ফুলের ব্যাবসায়ী অথবা ডেকোরেটার্স ও মাইকের ব্যাবসার সঙ্গে যুক্ত মানুষজন প্রত্যেকেই এইসময় বিশেষ আর্থিক লাভের মুখ দেখে  |  অর্থনীতির কেইনসীয় গুণক তত্ত্ব অনুসারে দেখলে কোনও ব্যাক্তি যে – ব্যায় করে তা অন্য কোনও বা কিছু ব্যাক্তির কাছে আয় সৃষ্টি করে ;  আবার সেই ব্যাক্তিবর্গ ওই আয়ের কিছুটা ব্যায় করলে তা অন্যের কাছে আয় সৃষ্টি করবে এইভাবে অর্থনীতির এক চক্রাকার প্রবাদ হয় | মনসা পুজোয় সাময়িক এই চক্রাকার প্রবাহে কয়েকটি জেলার অনেক দরিদ্র মানুষের মুখে হাসি ফোটে | দেবী যেন, কৃষ্টিতে – সংস্কৃতিতে মাধুর্যময় হয়ে সকলের মুখে হাসি ফুটিয়ে বর্ষা শেষে ভক্তদের বিদায় জানান |

অন্যান্য প্রতিবেদন.