ময়দানে নেহা! ব্যরিকেড ভেঙে এগোচ্ছে মিছিল দিল্লি হাট!

৪১ জন
পড়েছেন

প্রতিবেদন টি শেয়ার করুন

​ যন্তর মন্তরে পূর্বনির্ধারিত বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দিল্লি পুলিশের কড়া পদক্ষেপ এবং তার জেরে আন্দোলনকারীদের কৌশল বদলের ঘটনা দেশের গণতান্ত্রিক অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রশ্নটিকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।


​প্রতিবাদ কর্মসূচির প্রাক্কালে সিজেপি (CJP) নেতা অভিজিৎ দীপকে এবং অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় যুব নেতাদের পুলিশি আটকের ঘটনা এই আন্দোলনে বড় মোড় আনে। এই দমনপীড়নের মুখে আন্দোলন নেতৃত্বহীন হয়ে না পড়ে আরও জোরালো রূপ নেয়। আইসা (AISA) সভাপতি নেহা বোরার নেতৃত্বে আন্দোলনকারীরা তাঁদের পূর্বঘোষিত যন্তর মন্তর কর্মসূচির স্থান পরিবর্তন করে সরাসরি দিল্লি হাট (Dilli Haat) অভিমুখে মিছিল নিয়ে এগিয়ে যান। পুলিশের কঠোর ব্যারিকেড ও নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও বিক্ষোভকারীরা তা ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন, যার ফলে গোটা এলাকায় চরম উত্তেজনা ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।


​এই রাজনৈতিক সংঘাতে শুধুমাত্র ছাত্রনেতা বা যুব কর্মীরাই নন, বরং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের হেভিওয়েট নেতা, আইনজীবী এবং মানবাধিকার কর্মীরাও পুলিশের নজরবন্দি বা আটকের শিকার হয়েছেন। এই ব্যাপক পুলিশি পদক্ষেপ ও আটকের ঘটনা প্রমাণ করে যে, বর্তমান প্রশাসন বিরোধীদের কণ্ঠস্বর রোধ করতে কতটা তৎপর। তবে প্রশাসনিক বাধা বিপত্তিকে উপেক্ষা করে যেভাবে নেহা বোরা এবং অন্যান্য নেতারা প্রতিবাদস্থল পরিবর্তন করে আন্দোলন টিকিয়ে রেখেছেন, তা তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক জেদ ও প্রতিবাদী সংস্কৃতির নতুন রূপ ফুটিয়ে তোলে।


​সব মিলিয়ে, এই ঘটনা একদিকে যেমন দেশের বর্তমান প্রশাসনিক ব্যবস্থার ওপর বিরোধীদের অনাস্থা ও ক্ষোভকে তীব্রতর করেছে, অন্যদিকে তেমনই নাগরিক অধিকার রক্ষায় বিরোধী দলগুলির যৌথ ও অবিচল লড়াইয়ের রূপরেখাকেও স্পষ্ট করে তুলেছে। সরকারের এই কঠোর পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে কোন দিকে নিয়ে যায়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

অন্যান্য প্রতিবেদন.