বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় বন্ধ করে সার্বিক হোক নির্বাচন! তবেই সাপমুক্তি হবে পশ্চিমবঙ্গের? বিজেপির বিরুদ্ধে ভোটে জিতে মোদীর সঙ্গে ব্রেকফাস্ট! সায়নী, কাকলীরা আর জিতবেন? প্রতিবাদী মানেই ‘অ্যান্টিন্যাশনাল’ নয়, ভাগবতের কথা কি মাথায় রাখবে তথাকথিত ‘দেশভক্ত’রা? বাঁকিপুরের ঝাঁকি, সঙ্গে CJP! ঘুরে দাঁড়াতে পারবে BJP? গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কাঁটা মোদী-শাহ’র CPIM থেকে BJP হয়ে তৃণমূল! বিরোধী হলেই কাদা-ডিম্ ছোঁড়ার রাজনীতি বাংলায়, কবে বদলাব আমরা? জমিতেও হিন্দু-মুসলমান? মুখ্যমন্ত্রীর ‘ল্যান্ড জিহাদ’ মন্তব্যে শোরগোল বঙ্গ রাজনীতিতে রেখা পাত্রের বিরুদ্ধে বাড়ি দখলের অভিযোগ, শর্বরীর বিরুদ্ধে দোকান! তোলাবাজির TMC-BJP হয়? সেক্যুলার নেতাজির আদর্শ নিয়ে সমস্যা BJP-র! তাই অনন্ত মহারাজ এখনও বাইরে?

আমি কোনও উস্কানিমূলক কথা বলিনি” : ঘটনার একদিন পরেই ভোল বদলালেন শর্বরী মুখার্জি ?

১৩ জন
পড়েছেন

প্রতিবেদন টি শেয়ার করুন

বুধবার ও বৃহস্পতিবারের মধ্যবর্তী রাতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়ায় ABVP এবং বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে সংঘর্ষে, যেখানে একাধিক ছাত্র আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে এই সংঘর্ষ শুরু হয় FETSU -এর একটি বৈঠক চলাকালীন, যেখানে ABVP-ঘনিষ্ঠ এক গবেষক উপস্থিত ছিলেন এবং সেখান থেকেই তীব্র বাদানুবাদ শুরু হয়।
ঘটনা পরবর্তীকালে, যাদবপুর এলাকার বিধায়িকা শর্বরী মুখার্জি গত বুধ ও বৃহস্পতিবার রোষে উপড়ে পড়েন যাদবপুরের ছাত্র ছাত্রীদের ওপর। বুধবার রাতেই তিনি জানান, “কী মনে করছেন আপনারা , এই বিশ্ববিদ্যালয়টাকে ? নক্সাল, দেশ বিরোধী শক্তি, মাওয়েস্ট-এদের দিয়ে, আপনারা ভর্তি করে রাখবেন, ভেবেছেন এটা ? এটা কোথাও চলবে না, বলে রাখলাম।’ এরপরেই তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ‘আমি সৃজন ভট্টাচার্যকে বলছি, অলিভ দাস, রহমান মল্লিক, অনির্বান, সাগ্নিক সরকার, এদেরকে যদি ১ ঘণ্টার মধ্যে যাদবপুর থানায় সারেন্ডার না করান..আমি কিন্তু যেখানে লুকিয়ে আছে, সেখান থেকে টেনে বার করব। সারারাত তাণ্ডব চলবে আজ।”

কিন্তু শুক্রবার রাতেই পুরো ডিগবাজি দিয়ে সুর বদলে নিলেন শর্বরী মুখার্জি। বললেন, “এই যে গত পরশু রাতে মারা হয়েছে, আমি হাসপাতালে গিয়েছিলাম। আমি বাড়ি চলে এসেছি। আমি থানার সামনে গিয়ে বলেছি, শান্তিপূর্ণভাবে এজিটেশন করুন।এজিটেশন করবার অধিকার সকলের রয়েছে। কিন্তু সেটা যেনও শান্তিপূর্ণভাবে হয়। আমি বিজেপির ছেলেদের বলেছি, আপনারা এখান থেকে চলে যান। আন্দোলন করছে এবিভিপি, গণতান্ত্রিক অধিকার তাঁদের রয়েছে।”

শমীক ভট্টাচার্য্য আগেই বলে দিয়েছিলেন যে ABVP বিজেপির ছাত্র সংগঠন নয়। অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত যাদবপুরের প্রতীক ধ্বংস করে ফেলার বিরুদ্ধে কথা বলেন এবং ঘটনার নিন্দা জানান। তাঁর প্রতিক্রিয়ায়, শর্বরী বলেন, যে বিক্ষোভে প্রতীক ভেঙে যায় কিন্তু তা ধ্বংস করা হয়নি। কাল যে রাজনৈতিক নেত্রী গলাবাজি করলেন, আজকে এটি যেন তার এক অন্য স্বরূপ। যাঁরা নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন সাধারণ মানুষের জোরে তারাই যদি এত রঙ বদলান, তাহলে জবাবদিহিতার দায়িত্ব কার?

অন্যান্য প্রতিবেদন.