বাংলার রাজনীতিতে নতুন সংস্করণ ‘ডিম থেরাপি’। যা আগে কখনওই রাজ্য রাজনীতির ট্রেন্ডে ছিল না। পালা বদলের পর থেকে তৃণমূলের নেতা মন্ত্রীদের এই ডিম হামলার মুখে পড়তে হয়েছে। এবার আক্রমণ নেমে এল মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ের উপর। মঙ্গলবার সকালে নিহত দলীয় কর্মী মন্টু মিঞার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে শীতলকুচিতে গিয়েছিলেন বামনেত্রী।
সেখান থেকে ফেরার পথেই এই হামলার মুখে পড়তে হয় মীনাক্ষীকে। গাড়ি লক্ষ্য করে ছোঁড়া হয় একের পর এক ডিম। গাড়ির কাঁচ ঝাপসা হয়ে যায়। সেখানে বসেই লাইভ শুরু করেন মীনাক্ষী। দোষীদের গ্রেফতারির দাবি জানান। আশেপাশে অসংখ্য পুলিশকর্মীকে দেখা গেলেও তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ।

রবিবার সকালে শীতলখুচির খুটামারি নদীর ধারে মৃত অবস্থায় সিপিআইএম কর্মী মন্টু মিঞার দেহ উদ্ধার করা হয়। গোরক্ষার নাম করে মন্টুকে খুন করা হয়েছে এমনটাই দাবি তাঁর। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি।
এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা নেমে এসেছে সমাজ মাধ্যমেও। দাবি করা হচ্ছে, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক বিরোধীতার কণ্ঠ রোধের চেষ্টা চলছে। শমীক ভট্টাচার্য ডিম ছোঁড়ার বিরোধিতা করলে বাস্তবে তার শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হচ্ছে না। অভিযোগ উঠছে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার।

