‘মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে’ বারুইপুরে সায়নীরা, পরিবারের পাশে বিধায়ক নওসাদও

৯ জন
পড়েছেন

প্রতিবেদন টি শেয়ার করুন

বারুইপুরের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উত্তপ্ত রাজ্যরাজনীতি। নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার এক দিনের মাথাতেই আরও এক নাবালককে কুপিয়ে খুনের ঘটনা ঘটে। সোমবার নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে ‘কালীঘাট তৃণমূলে’র প্রতিনিধি দল। প্রায় ৭২ ঘণ্টা পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে ঘটনাস্থলে যায় ঋতব্রত শিবিরের তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। সাংসদ সায়নী ঘোষ, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং কাকলি ঘোষ দস্তিদার নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন।

তবে শুরুতে বাধার মুখে পড়তে হয় সায়নীদের। এলাকায় ঢোকা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে কিছুক্ষণ তর্ক-বিতর্কর পর সাংসদ হিসেবে কেবলমাত্র সায়নী ঘোষ অনুমতি পান ভিতরে যাওয়ার। যদিও কাকলি, চন্দ্রিমারা জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশেই তারা দেখা করতে এসেছেন। দোষীদের কঠরতম শাস্তির দাবি করেন বিদ্রোহী তৃণমূল গোষ্ঠী।

নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন সায়নী

এদিন সকালে নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন ISF বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকীও। বিচারের পাশাপাশি পুলিশের প্রাথমিক গাফিলতির অভিযোগও তোলেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারীর আশ্বাসের বাস্তবায়নের অপেক্ষা করার কথাও এদিন বলেন তিনি। ফাস্ট ট্র‍্যাক কোর্টে ঘটনার নিষ্পত্তি চান তিনি। নওসাদ জানান, জাত ধর্ম বর্ণের উর্ধ্বে উঠে প্রতিবেশীরা সকলে মিলে মেয়েটির পাশে ছিল বলেও জানান বিধায়ক।

বিচার চেয়ে পরিবারের পাশে ISF বিধায়ক নওশাদ

অন্যদিকে আজকেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্যাতিতার বাড়িতে যাওয়ার কথা রয়েছে। ঘটনার তদন্তের গতিপ্রকৃতি দেখে, নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন তিনি। ঘটনার পরেই পরিবারকে ফোনে বিচারের আশ্বাস দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। দোষীদের ক্যাপিটাল পানিশমেন্টের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।

অন্যান্য প্রতিবেদন.