ক্যাম্পাসে গ্রাফিতিতে চুনকাম ও রাষ্ট্রের ছায়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় বন্ধ করে সার্বিক হোক নির্বাচন! তবেই সাপমুক্তি হবে পশ্চিমবঙ্গের? বিজেপির বিরুদ্ধে ভোটে জিতে মোদীর সঙ্গে ব্রেকফাস্ট! সায়নী, কাকলীরা আর জিতবেন? প্রতিবাদী মানেই ‘অ্যান্টিন্যাশনাল’ নয়, ভাগবতের কথা কি মাথায় রাখবে তথাকথিত ‘দেশভক্ত’রা? বাঁকিপুরের ঝাঁকি, সঙ্গে CJP! ঘুরে দাঁড়াতে পারবে BJP? গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কাঁটা মোদী-শাহ’র CPIM থেকে BJP হয়ে তৃণমূল! বিরোধী হলেই কাদা-ডিম্ ছোঁড়ার রাজনীতি বাংলায়, কবে বদলাব আমরা? জমিতেও হিন্দু-মুসলমান? মুখ্যমন্ত্রীর ‘ল্যান্ড জিহাদ’ মন্তব্যে শোরগোল বঙ্গ রাজনীতিতে রেখা পাত্রের বিরুদ্ধে বাড়ি দখলের অভিযোগ, শর্বরীর বিরুদ্ধে দোকান! তোলাবাজির TMC-BJP হয়?

১০০% খাঁটি বলে ভেজাল বিক্রি! ডাবরের ঘি-মধুকে নিষিদ্ধ ঘোষণা

১৭ জন
পড়েছেন

প্রতিবেদন টি শেয়ার করুন

যেকোনও প্যাকেটে গালভরা ‘১০০ % খাঁটি’ লেখা দেখেই কি চোখ বুজে কিনে ফেলেন? আজকের পর আর সেটি করবেন না। যা ১০০% বিশুদ্ধ লেখা থাকে তা ১০০% বিশুদ্ধ হয় না। নামজাদা ব্র্যান্ড ডাবর (Dabur)-এর বেশ কিছু জনপ্রিয় পণ্যের গায়ে লেখা ফাঁপা বিজ্ঞাপনী বুলি নিয়ে কড়া আইনি ব্যবস্থা নিল খাদ্য সুরক্ষার কেন্দ্রীয় নিয়ামক সংস্থা FSSAI। ডাবরের নিজস্ব ওয়েবসাইটে থাকা কিছু নির্দিষ্ট মধু, ঘি ও অন্যান্য জিনিসের বিক্রিতেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

​কেন এই হঠাৎ কোপ?

FSSAI-এর প্রকাশিত নতুন নোটিশ অনুযায়ী, ডাবর তাদের জিনিসপত্রের প্রচার চালাতে গিয়ে এমন সব আকাশকুসুম দাবি তুলছিল, যার সপক্ষে কোন পোক্ত প্রমাণ তারা জমা দিতে পারেনি। অর্থাৎ ​১০০% অরিজিনাল, অর্গানিক, খাঁটি ডাবের জল জাতীয় আশ্বাস বড় বড় হরফে লেখা থাকলেও তার প্রমাণ মেলেনি। আর এতেই ডাবরের বিরুদ্ধে উঠেছে মিথ্যাচারের অভিযোগ। FSSAI এর দাবি, ২০১৮ সালের খাদ্য সুরক্ষা ও বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত আইনি নিয়ম ভেঙে এই ধরনের চমকপ্রদ দাবি তোলা সম্পূর্ণ বেআইনি। এভাবে অর্ধসত্য কথা বলে ক্রেতাদের মন ভোলানো আর সহ্য করা হবে না।

তদন্তে নেমে ডাবরের জালিয়াতির বেশ কিছু অকাট্য প্রমাণ হাতে পেয়েছে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর। তারা দেখেছে, ‘ডাবর হিমালয়ান অর্গানিক অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার’ ও ‘ডাবর অর্গানিক হানি’-র মতো জিনিসে সরকারি কোনো বৈধ অনুমোদন ছাড়াই জাল ‘জৈবিক ভারত’ লোগো বসিয়ে বিক্রি করা হচ্ছিল। অন্যদিকে, ‘ডাবর হোমমেড কোকোনাট মিল্ক’-এর মতো নানা উপাদান মেশানো প্রক্রিয়াজাত খাবারেও ‘১০০% খাঁটি’ লিখে ক্রেতাদের চোখ ধাঁধানোর চেষ্টা চলেছে, যা আইনের চোখে চরম অপরাধ।

এর আগেও ডাবরকে এসব মনগড়া প্রচার থামাতে সতর্ক করা হয়েছিল, কিন্তু তারা পাত্তা না দেওয়ায় শেষমেশ কড়া হাতে পণ্যগুলোর বিকিকিনি পুরোপুরি থমকে দিল প্রশাসন। সেই সাথে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে ভুল শোধরাতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হলো, তার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দেওয়ার চূড়ান্ত নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

আইনি নোটিশ পাওয়ার পর ডাবর অবশ্য জানিয়েছে, তারা চিঠি পেয়েছে এবং নিজেদের ভুলত্রুটি শুধরে নিতে দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছে। তবে শুধু ডাবরই নয়, অনলাইনে ভুয়া দাবি করা হেলথ ড্রিংক থেকে শুরু করে মদ প্রস্তুতকারী—সব ধরনের অসৎ সংস্থার ওপরই এখন চাবুক চালাচ্ছ FSSAI।

অন্যান্য প্রতিবেদন.