সাংবাদিক সম্মেলন, শেখ হাসিনা ফের খবরে! তারেক নাকি হাসিনা? কী ভাবছে দিল্লী? ক্যাম্পাসে গ্রাফিতিতে চুনকাম ও রাষ্ট্রের ছায়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় বন্ধ করে সার্বিক হোক নির্বাচন! তবেই সাপমুক্তি হবে পশ্চিমবঙ্গের? বিজেপির বিরুদ্ধে ভোটে জিতে মোদীর সঙ্গে ব্রেকফাস্ট! সায়নী, কাকলীরা আর জিতবেন? প্রতিবাদী মানেই ‘অ্যান্টিন্যাশনাল’ নয়, ভাগবতের কথা কি মাথায় রাখবে তথাকথিত ‘দেশভক্ত’রা? বাঁকিপুরের ঝাঁকি, সঙ্গে CJP! ঘুরে দাঁড়াতে পারবে BJP? গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কাঁটা মোদী-শাহ’র CPIM থেকে BJP হয়ে তৃণমূল! বিরোধী হলেই কাদা-ডিম্ ছোঁড়ার রাজনীতি বাংলায়, কবে বদলাব আমরা? জমিতেও হিন্দু-মুসলমান? মুখ্যমন্ত্রীর ‘ল্যান্ড জিহাদ’ মন্তব্যে শোরগোল বঙ্গ রাজনীতিতে

কোনও রাজনৈতিক দল নয়, দেশের সমস্যা-প্রত্যাশার কথা শোনাই কাজ হবে ককরোচদের

১১ জন
পড়েছেন

প্রতিবেদন টি শেয়ার করুন

সোশ্যাল মিডিয়ার একটি পেজ থেকে এহেন জনসমর্থন পাওয়া চাট্টিখানি কথা নয়। অভিজিৎ দীপকের একটি পোস্টার যে দেশের একাংশের ছাত্রযুবদের লড়াইয়ের সাহারা হয়ে উঠবে তা বোধহয় শুরুতে তিনিও বুঝতে পারেননি। কার্যত অসাধ্য সাধনই করেছেন তাঁরা। নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে যেই ছাত্রদের মৃত্যু হল তাঁদের বিচার চেয়ে এনেছে ককরোচ জনতা পার্টি সহ দেশের লড়াকু জেনজি প্রজন্ম। তাঁদের ডাকে এক হয়ে গিয়েছে গোটা দেশ। ধারাবাহিক শান্তিপূর্ণ আন্দোলন যে দাবি আদায়ের সবচেয়ে বড় অস্ত্র হতে পারে সেকথাও প্রমাণ করে দিয়েছেন তাঁরা।  

স্বভাবতই তাঁদের আগামী পদক্ষেপ কী হবে সেকথা জানতে উদগ্রীব ছিল জনতা। বিরোধীরাও তাঁদের আন্দোলনকে সমর্থন করে রাজনৈতিক মুনাফা করার চেষ্টা করেছেন। বারংবার প্রশ্ন উঠছিল তবে কি নতুন কোনও রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে ককরোচ জনতা পার্টি? নাকি এখানেই শেষ তাঁদের যাত্রা ? মহারাষ্ট্রের ছত্রপতি সম্ভাজীনগরে দীপকের নিজের বাসভবনে কোর কমিটির বৈঠকের ছিল ককরোচদের। দলের প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস, মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা এবং দলের অন্যান্য প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার পর আগামী কর্মসূচির কথা জানান দীপকে। 

ককরোচদের প্রেস কনফারেন্স

আগামী অর্থাৎ সেপ্টেম্বর মাস থেকেই ‘ক্যায়া বলতি পাবলিক’ নামের একটি সর্বভারতীয় জনসংযোগ অভিযান শুরু করবেন ককরোচরা। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করবে CJP। মানুষের অভাব, অভিযোগ, ক্ষোভ, প্রত্যাশার কথা শুনবেন তাঁরা। শিক্ষা সংস্কারের পাশাপাশি বেকারত্বের প্রশ্নকেও জাতীয় রাজনীতির অন্যতম প্রধান ইস্যু হিসেবে সামনে আনা হবে। 

‘ক্যায়া বলতি পাবলিক’ অভিযানের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে অভিজিৎ দীপকে বলেন, এই কর্মসূচির মাধ্যমে তাঁরা দেশের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে মানুষের মতামত জানবেন এবং তাঁরা প্রতিদিন কী কী সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন, তা সরাসরি তাঁদের কাছ থেকেই শুনবেন। পাশাপাশি এই কথাও স্পষ্ট করেন দলের মুখপাত্র সৌরভ দাস- যে তাঁরা কোনও রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছেন না। ইতিমধ্যেই বিরোধীদের যেভাবে ইডি, সিবিআই অন্যান্য রাষ্ট্রযন্ত্র দিয়ে কণ্ঠরোধের চেষ্টা করা হচ্ছে, তাঁদের সঙ্গেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে পারে। তাই তারা সরাসরি মানুষের জন্য কাজ করতে চান। তাঁদের দাবিদাওয়ার কণ্ঠ হয়ে উঠতে চান। তাঁদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হবে শিক্ষায় সংস্কার। 

দীপকের দাবি, ভারতের প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষের বয়স ৩৫ বছরের নিচে এবং যন্তর মন্তরের আন্দোলনে অংশ নেওয়া অধিকাংশই এই তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি ছিলেন। আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের মুম্বইয়ে ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে সাম্প্রতিক মতবিনিময় প্রসঙ্গে অভিজিৎ দীপকে কটাক্ষ করে বলেন, “আমার মনে হয়, এই উদ্যোগটা একটু বেশিই দেরিতে নেওয়া হয়েছে। ২০ জুলাই যখন ছাত্রদের মারধর করা হচ্ছিল, তখনই তাঁদের সঙ্গে কথা বলা উচিত ছিল। যাঁকে আমি বিজেপির আদর্শিক পথপ্রদর্শক বলে মনে করি, সেই মোহন ভাগবতের তখন সামনে এসে ছাত্রদের সঙ্গে দেখা করা উচিত ছিল।” সঙ্গে নিজেদের আদর্শগত অবস্থান স্পষ্ট করে ককরোচরা জানান, বাবাসাহেব আম্বেদকর, মহাত্মা গান্ধী এবং পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর উন্নত ভারতের স্বপ্ন ও দর্শনকে সামনে রেখেই তাঁরা কাজ করবে। তাঁদের আদর্শ ভারতের সংবিধান।

অন্যান্য প্রতিবেদন.