ক্রেনশক্তিতে উপড়ে গেলো নেহেরু মূর্তি;কংগ্রেস-বিজেপি-তৃণমূলের ত্রিমুখী তরজা ভারতের শেষ গ্রামে দুর্বিষহ জীবন, পদ্মা নদীর ছন্দেই বাঁচে ওরা! নেই হাসপাতাল, স্কুল, রোজগার! ভাতের বদলে কাফন? ১৯৫৯ সালের যে রক্তক্ষয়ী আন্দোলনে কেঁপেছিল রাইটার্স! আহমেদাবাদের স্টাডি সার্কেলে হামলা; নিষিদ্ধ আনা ফ্রাঙ্ক,মালালা ইউসুফজার! কেন বুদ্ধবাবু পারেননি তসলিমাকে নিরাপত্তা দিতে? কেন বিজেপি ফেরাল? কার দখলে বাংলার বিরোধী রাজনীতি? তৃণমূলের শেষে আশার আলো দেখছে CPIM? কার দখলে বাংলার বিরোধী রাজনীতি? তৃণমূলের শেষে আশার আলো দেখছে CPIM? ককরোচদের (CJP) আন্দোলনে জেরবার BJP! কোন পথে ঐতিহাসিক জয় প্রশান্ত কিশোরের? নেপথ্যে ছাত্র আন্দোলন! BJP-র বিরুদ্ধে একজোট হচ্ছে মানুষ? বাঁকিপুর ভাবাচ্ছে নরেন্দ্র মোদীকে নেপথ্যে ছাত্র আন্দোলন! BJP-র বিরুদ্ধে একজোট হচ্ছে মানুষ? বাঁকিপুর ভাবাচ্ছে নরেন্দ্র মোদীকে

লাল হিট নিয়ে তেরঙ্গা মিছিল বিজেপির, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনেও চলল স্লোগানিং

১৬ জন
পড়েছেন

প্রতিবেদন টি শেয়ার করুন

২৪ জুলাই বাম ছাত্র-যুবদের ডাকে এবং বাংলার ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থনে একটি মিছিল হয় শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত। ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা ছিল সেই মিছিলের মূল দাবি। মিছিলে ছাত্র যুবদের ঢল নেমেছিল। কিন্তু তারপরেও বেশ কিছু অপ্রীতিকর ঘটনার সাক্ষী হয়ে থাকে সেই মিছিল। মিছিলে খবর করতে আসা একাধিক সাংবাদিককে ঘিরে ধরে ‘গদি মিডিয়া’ স্লোগান তোলা হয়। নিগ্রহ করা হয়, হেনস্থা করা হয়, গায়ে হাত পর্যন্ত তোলা হয়। এবার তার প্রতিবাদেই পাল্টা মিছিল বিজেপির। 

সোমবার সাংবাদিকদের মিছিল শেষ হয়ে যাওয়ার পর তিলোত্তমায় জোড়া মিছিল করে পদ্ম শিবির। তবে এদিনের মিছিলে কোনও দলীয় পতাকা ব্যবহার করেনি বিজেপি। কেবল দেশের পতাকা নিয়ে এই মিছিল আয়োজন করা হয়। তাই এর নাম দেওয়া হয় ‘তেরঙ্গা যাত্রা’। সঙ্গে হিন্দুত্বের প্রতীক হনুমানের ছবি দেওয়া গেরুয়া পতাকাও ব্যবহার করা হয় মিছিলে।  

একটি মিছিল হয় উত্তর কলকাতায় শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলা, আরেকটি মিছিল হয় দক্ষিণ কলকাতায় ঢাকুরিয়া থেকে ৮বি অবধি। মিছিলে লাল হিট, এবং মরা আরশোলার ছবি সম্বলিত প্রতীকী প্ল্যাকার্ড নিয়ে হেঁটেছেন বিক্ষোভকারীরা। তাঁদের দাবি, দেশের স্বার্থে ইস্তফা দিয়েছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। বাম ছাত্র যুবরা দেশ ভাগের চক্রান্ত করছিল বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা। স্লোগান ওঠে বামেদের বিরুদ্ধেও। সাংবাদিক নিগ্রহের বিরুদ্ধেও তাঁরা সরব হন।

‘দেশের স্বার্থ’ বা ‘জাতীয়তাবাদ’ এই ট্যাগলাইনের উপরেই জোর দেন বিজেপির সমর্থকরা। উত্তর কলকাতার মিছিলে ছিলেন মন্ত্রী তাপস রায়, বিধায়ক সজল ঘোষ, রীতেশ তিওয়ারি, বিজয় ওঝা, রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার, বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পন্ডারা। অন্যদিকে দক্ষিণ কলকাতার মিছিল করেছেন মূলত কর্মী সমর্থকেরাই। সেই মিছিল ঢাকুরিয়া থেকে শুরু হয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে গিয়ে বেশ কিছুক্ষণ বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরাও শুরু করে পাল্টা স্লোগানিং। যদিও সেই পরিস্থিতি সামলে নেয় কলকাতা পুলিশ।

অন্যান্য প্রতিবেদন.