যত সময় এগোচ্ছে বারুইপুরের ঘটনায় সামনে আসছে হাড়হিম করা চাঞ্চল্যকর তথ্য। নাবালিকার গণধর্ষণ এবং খুনের পিছনে ছিল আরও নোংরা অভিসন্ধি? তদন্ত এগোতেই ঘটনার সঙ্গে মানব পাচারের যোগের ইঙ্গিত পাচ্ছে তদন্তকারীরা। ঘটনায় আনন্দ, দিবাকর, প্রভাস নামের তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আনন্দকে জেরা করে পুলিশ জানতে পারে, ধৃত প্রধান অভিযুক্ত আনন্দ সর্দারের লক্ষ্য ছিল নাবালিকাকে অপহরণ করা। অন্যদিকে আরেক অভিযুক্ত প্রভাসের দায়িত্ব ছিল ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে মেয়েটিকে ফুসলিয়ে তুলে আনা। আরও জানা যায়, কোনও তাৎক্ষণিক ঘটনা নয় গত ১০ থেকে ১২ দিন ধরে নাবালিকার উপর নজর রাখছিল আনন্দ। সেই মতোই নাবালিকাকে তুলে নেয় প্রভাস। সিসিটিভি ফুটেজে লাল জামা পরা ব্যক্তি প্রভাসের সঙ্গে নাবালিকার হেঁটে যাওয়ার ভিডিও পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।

অভিযুক্তদের দাবি, এরপর মেয়েটিকে বেঁধে রাখা হয় একটি ঘরে. সেখানেই আরও অভিযুক্তদের সঙ্গে চলে দেদার মদ্যপান। এরপরেই ওই নাবালিকার উপর নৃশংস যৌন নির্যাতন চালানো হয়। নাবালিকা অচেতন হয়ে পড়লে তাকে বস্তায় বেঁধে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়।
এই ঘটনায় নারী পাচার চক্রের ইঙ্গিত পেয়েছে পুলিশ। বিশেষ তদন্তকারী দলের (সিট) সদস্যদের সঙ্গে অ্যান্টি হিউম্যান ট্রাফিকিং টিমও কাজ করছে। ৩ অভিযুক্ত ধরা পড়লেও, এখনও অধরা প্রবীর মণ্ডল। এর পিছনে আরও বড় কোনও মাথা রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

