হালফিলে সকলের হাতেই মোবাইল ফোন। আট থেকে আশি মোটামুটি সব বয়সের নেটিজেনরাই এখন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে থাকেন। আর সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার যারা করেন, তাঁদের চোখে মাঝেমধ্যেই আপত্তিকর নানা ছবি ভিডিও সামনে আসে। এরমধ্যে শিশুদের যৌন নির্যাতন প্রচার করছে এমন বিজ্ঞাপনেও (Child sexual abuse material) ভোরে গিয়েছে ইনস্টাগ্রাম। সম্প্রতি এই নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশের ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক।
এই বিষয়ে সম্প্রতি ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রামের মাথা মেটাকে (Meta) নোটিস দিয়ে তলব করেছে কেন্দ্র। যত দ্রুত সম্ভব অশালীন, আপত্তিকর বিজ্ঞাপন সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয় ৭ দিনের মধ্যে এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট চেয়েছে অশ্বিনী বৈষ্ণবের মন্ত্রক। অন্যথায় মেটার বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তি আইন এবং ২০১২-র পকসো আইনে মামলা দায়েরের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, হোয়াটসঅ্যাপে প্রস্তাবিত ‘ইউজারনেম’ ফিচার নিয়েও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের সঙ্গে বৈঠক করেছে মেটা। সরকারের আশঙ্কা, এই ফিচার চালু হলে প্রতারণা ও ভুয়ো পরিচয়ে জালিয়াতির ঘটনা বাড়তে পারে। যদিও ওই বৈঠক নিয়ে মেটা কোনও মন্তব্য করেনি।
মেটাকে তলবের প্রসঙ্গে ‘দ্য হিন্দু’কে দেওয়া বিবৃতিতে সংস্থার এক মুখপাত্র দাবি করেছেন, শিশু যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত কনটেন্টের বিরুদ্ধে তাদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে। তাঁর কথায়, উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তির সাহায্যে এইসমস্ত কন্টেন্ট আগাম শনাক্ত করার চেষ্টা চালানো হয়। তবে ৩৫০ কোটিরও বেশি ব্যবহারকারীর মধ্যে লুকিয়ে থাকা অপরাধীদের শনাক্ত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সেই কারণেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নিয়মিত নতুন প্রযুক্তি তৈরি ও অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে তথ্য আদানপ্রদান করার কাজ শুরু করেছে তারা।
