বারুইপুর ঘটনায় গ্রেফতার প্রধান অভিযুক্ত আনন্দ সর্দার। প্রথমে গ্রেফতার করা প্রভাস মণ্ডলকে, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই আনন্দকে জালে নেয় পুলিশ। এখনও অবধি ঘটনায় গ্রেফতার ৩, আরও ৩জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। নাবালিকার ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় SIT গঠন করে তদন্ত করছে পুলিশ। সোমবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, দোষীর ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট হবে। এছাড়াও গণপিটুনিতে মৃত্যুর ঘটনার তদন্তও শুরু হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার ঘটনার পরেই নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছিলেন শুভেন্দু । পরিবারকে সমস্ত রকম সহায়তার আশ্বাস দেন তিনি।
অন্যদিকে কালীঘাট তৃণমূলের ৫জনের প্রতিনিধি দল রওনা হয়েছে নির্যাতিতার বাড়ির দিকে। পথে দোলা সেনের গাড়ি আটকানোর অভিযোগ ওঠে। রবিবার রাত থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যের বাড়ি পুলিশ এবং সেনা দিয়ে ঘিরে রাখা হলেও সকালে ফাঁকা করে দেওয়া হয় এলাকা। এরপরেই বারুইপুরের দিকে রওনা দেয় কালীঘাট তৃণমূলের প্রতিনিধি দল।

এদিকে সোমবার সকাল থেকেই বিরাট বাহিনীর পুলিশ মজুত বারুইপুর এলাকায়। সোনারপুর, নরেন্দ্রপুর এবং বারুইপুর এলাকায় জারি হয়েছে ১৬৩ ধারা। কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নজরদারি চালাচ্ছে পুলিশ।

