“রাম মন্দির নির্মাণ, তাও আবার ২০২৪ এর নির্বাচনের আগে, এ যেন ১৯৪৭ পরবর্তী নেহেরুর ভারত থেকে এক অসম্ভব বিচ্যুতি। ১৪ ই আগষ্ট মধ্যরাতে তিনি বলেছিলেন: আগামীদিনের উদ্দেশ্য হবে ‘to wipe the tears of the last man in the line’… সেই লক্ষ্য থেকেই দেশের পাবলিক সেক্টর, শিক্ষাব্যাবস্থা এবং বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠানকে সবার আগে রাখা হয়েছিল।”
বোম্বে IIT র প্রফেসর, রাম পুনিয়ানি, এই কথাগুলি লেখেন তার বই ‘caste and communalism’ এ। তিনি বলতে চেয়েছেন, স্বাধীন ভারতবর্ষ গড়ার যে স্বপ্ন মানুষ দেখেছিল ১৪ আগষ্ট মধ্যরাতে, তার থেকে প্রায় ১৮০° ঘুরে দাঁড়িয়ে ২০১৯-২৪ এর নির্বাচন সংঘটিত হলো। ‘Who lives if India dies’: ১৯৩১ সালে পণ্ডিত নেহেরুর দেওয়া এই শ্লোগানের থেকে ১৯৮০ র ‘মন্দির ওয়াহি বানায়েঙ্গে’ র যে যাত্রাপথ, প্রায় পঞ্চাশ বছরের এই আমূল পরিবর্তনের খোঁজ নিতে চেয়েছিলেন প্রফেসর পুনিয়ানি। কীভাবে এমন পরিপন্থী রাজনৈতিক আদর্শ, এতো কম সময়ের মধ্যে ভারতে জনপ্রিয় হতে পারে, এই প্রশ্ন বিগত কয়েক বছর ধরে সর্বত্র চর্চিত। তার্কিকরা একটা নির্দিষ্ট মুহূর্ত চিহ্নিত করতে চেয়েছেন; কেউ বলেন নেহেরুর সমাজতান্ত্রিক গনতন্ত্র ব্যর্থ হওয়া, পরবর্তীতে ইন্দিরা গান্ধীর এমারজেন্সি, কেউ বা আবার রাজীব গান্ধীর দুর্বলতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। সাম্প্রদায়িকতার বীজ কোন ঐতিহাসিক লগ্নে এতো সর্বব্যাপী হয়ে উঠলো, তা নিয়ে গবেষণার অন্ত নেই। এই প্রবন্ধে বরং কোনো একটি সমস্যাকে চিহ্নিত না করে কয়েকটি বিশেষ দিক নিয়ে আলোচনা করা যাক। রোটি, কাপরা মাকান থেকে সরে গিয়ে রাম জন্মভূমি আন্দোলন কোনো আকস্মিক বা একমাত্রিক পরিবর্তন নয়। শ্রেণি পরিচিতি থেকে দূরে চলে গিয়ে এখন যে শুধুমাত্র ধর্ম বা সম্প্রদায় নিয়ে কথা বলা হয়: বিষয়টা বোধহয় এমন সরলরৈখিকও নয়। অনেকে বলতে পারে যে ১৯৬০/৭০ এর দশকে anti poverty স্লোগানগুলি (যেমন গরিবী হটাও) যেভাবে নির্বাচনের পাথেয় হিসেবে উঠে এসেছে তা কি ২০১৪ বা ১৯ এ দেখা গেছে? এর উত্তরে মনে রাখতে হবে যে ‘সাব কা সাথ সাব কা বিকাশ’ শুধুমাত্র নিম্নবিত্তদের কথা না বললেও একটা ‘inclusivity’ র ধারণা নিশ্চই দেয়। ২০১৪ সালের পর স্বচ্ছ ভারত কিংবা উজ্জ্বলা যোজনা ‘anti-poverty’ কর্মসূচি বলেই প্রচার করা হয়েছে। তাই শুধুই যে মন্দির নির্মাণকে সামনে রেখে নির্বাচন হয়েছে তা নয়, ২০১৪ র চেয়ে বরঞ্চ ২০১৯ এ বাবরি মসজিদ প্রসঙ্গ আরও গুরুত্ব পেয়েছে বিজেপির ইশতেহারে। এই ধীর, স্থির, শ্লথ গতিতে বদল বিজেপির কার্যপ্রণালী বোঝার জন্য অত্যন্ত জরুরী। সিংহাসনে বসার আগে মানুষের মৌলিক অধিকার নিয়ে কথা বলা (যেমন দুর্নীতিমুক্ত ভারত তাদের ২০১৪ র নির্বাচনী ইশতেহারে মূখ্য ভূমিকায় ছিল, আবার সেই anti-corruption ড্রাইভ ২০২৬ এর বাংলাতেও গুরুত্ব পেল) কিন্তু একবার ক্ষমতা দখল হয়ে গেলে তারপর, ধীরে ধীরে নিজেদের আদর্শের শাখা প্রশাখা বিস্তার করা। এই প্রবণতা মোটামুটি কেন্দ্র, রাজ্য সব জায়গাতেই লক্ষ্যণীয়। কেন এই কৌশল? কীভাবে খুব সন্তর্পণে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বসতিকে ছাপিয়ে মন্দির-মসজিদ প্রসঙ্গ এসে পড়ে ইলেকশন এজেন্ডায়? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজবো মূলত দুটি দিক পর্যালোচনা করে।
এক হলো, বিজেপিও কিন্তু রোটি-কাপড়া-মাকান নিয়ে কথা বলে। তবে নিতান্তই প্রতীকি রাজনীতির স্বার্থে, (symbolically), tokenism এর দ্বারা। আমরা দেখবো যে স্বচ্ছ ভারত থেকে নোটবন্দি, সবগুলোই তারা ‘pro-poor’ নীতি বলে পেশ করতে চেয়েছে। পোস্টারে ঝাড়ুদার বা গ্রামীন মহিলার ছবি প্রাধান্য পেয়েছে ঠিকই, কিন্তু প্রশ্ন থেকে গেছে এমন প্রকল্পের সুফল নিয়ে ! দ্বিতীয় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বিজেপি কীভাবে ‘wellbeing over welfare’ আদর্শ নিয়ে, একটা সোশ্যাল হেজিমনি বা সামাজিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে উদ্যত। Welfare কে যদি ‘জনকল্যাণ‘ বলে অনুবাদ করি আর wellbeing মানে সুখে থাকা, আরও বিশদে বললে আধ্যাত্মিক শান্তি বোঝায় এক্ষেত্রে। সুতরাং ওয়েলফেয়ার স্টেট বা জনকল্যাণকামী রাষ্ট্র হিসেবে মানুষকে সুবিধা প্রদান করার বদলে (যেমন শিক্ষা, স্বাস্থ্য, রোজগার নিয়ে ভাবা) একটা ভাসা ভাসা অর্থে ‘spiritual wellbeing’ নিয়ে কথা বলে যাওয়া। আধ্যাত্মিকতা নিয়ে কথা হতেই পারে কিন্তু রাষ্ট্রের এক্তিয়ারে তা পড়ে কি না, সেই নিয়েই তো যাবতীয় বিবাদ। মোদ্দা কথা হলো, স্বাধীনতার পর যে গণতান্ত্রিক, সংসদীয় কাঠামো আপন করে নেওয়া হয়েছিল, তার সাথে বিজেপির রাষ্ট্রচিন্তা বা রাজনৈতিক ভাষ্যের কোনো মিল নেই। একদল বলে রাষ্ট্র ও ধর্ম আলাদা থাকবে, একদল বলে না; একদল রাজনীতি আর মন্দিরের কার্যপ্রণালী স্বতন্ত্র রাখতে চায়, আর একদল মন্ত্রী হয়েও রথ টানে। এই টানাপোড়েন আসলে প্রথম থেকেই; সারা বিশ্বে যেভাবে আধুনিক রাষ্ট্রের গোড়াপত্তন হয়েছে, যেভাবে আদালত, পার্লামেন্ট, আমলার ধারণা এসেছে, তার কোনোকিছুই বিজেপির পক্ষে পুরোপুরি গলধঃকরণ করা সম্ভব না। হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির পাঠ্য বইয়ের সাথে ভারতের সংবিধানের প্রস্তাবনা খাপ খায় না, এটা সর্বজনবিদিত, এই সংঘাতই যাবতীয় সমস্যার মূলে।

বর্তমান শাষকদলের মূলমন্ত্র ‘well-being over welfare’: এই ধারণার ব্যাখ্যা দিয়েছেন পলিটিক্যাল থিওরিস্ট ক্রিস্টোফে জ্যাফ্রেলট, তার বই ‘Modis India’ তে। তিনি দেখাচ্ছেন যে অশিক্ষা, বেকারত্ব বা দারিদ্রতা সরানোর জন্য গঠনমুলক (কংক্রিট) কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে বারবারই গরীবদের আত্মসম্মান, মর্যাদা কিংবা ডিগনিটি নিয়ে কথা বলা হয়। জ্যাফ্রেলট বলছেন, এই যে মানুষের অভাব বা দৈন্যতা দূর করার বদলে ওপর ওপর কিছু শব্দকে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলাঃ সম্মান, গড়িমা, ডিগনিটি- এটি একটি অভাবনীয় স্ট্র্যাটেজি। স্বচ্ছ ভারতের উদাহরণ টানলে এই কৌশল আরও ভালো ভাবে বোঝা সম্ভব। যেমন ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পরেই দারিদ্রতাকে জুড়ে দেওয়া হল শুচিতা বা পরিচ্ছন্নতার সাথে। মোদীর স্বচ্ছ ভারত ভাষণে কতিপয় শব্দ বারবার উঠে এলো, সেগুলো হলোঃ ‘Dignity of women’, ‘poor needs respect ‘ ‘dignity of mothers and sisters’। এছাড়াও বারবার উনি উল্লেখ করলেন গান্ধীকে। মহাত্মার লোগো ব্যবহার করে এই প্রকল্প চললো বেশ কয়েকদিন। আমরা জানি গান্ধীর রাজনৈতিক দর্শনে পরিচ্ছন্নতার বিশেষ স্থান ছিল, কিন্তু সেটা যে গ্রাম স্বরাজ বা হরিজন আন্দোলনের সহায় হিসেবে সে কথা উহ্য থেকে গেল। মোদীর স্বচ্ছ ভারত বক্তৃতায়, এ কথা বলা হলো না যে কেউ সাধ করে বস্তি, অপরিচ্ছন্ন গ্রাম বা শৌচালয়বিহীন বাড়িতে থাকতে চায় না। এ সবের মূলে যে দারিদ্রতা, অভাব বা অনেক ক্ষেত্রে জাতপাতের বিভেদ, সে কথা গুরুত্ব পেল না। ২০১৯ সালে নির্বাচনের আগে স্বচ্ছ ভারত অভিযানকে ‘accomplished mission’ বলে দাগিয়ে দেওয়া হলো। সরকারি নথিতে বলা হলো ৬৬ লক্ষ শহুরে শৌচালয় এবং ৯৩৪ লক্ষ গ্রামীণ শৌচালায় ভারতবর্ষে ইতিমধ্যে তৈরি হয়েছে। কিন্তু তারপরেও এই নতুন ৬০% শৌচালয়ে জলের কোনো ব্যবস্থা নেই এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এগুলি এত পরিমাণ বর্জ্য উৎপাদন করছে যে ম্যানুয়াল scavenger এর সংখ্যা বাড়ছে। (এখানে আবার জাতব্যাবস্থার কথা এসে পড়ে; কারা মূলত ঝাড়ুদার, মেথর হন? কীভাবে ম্যানুয়াল scavenging সারা পৃথিবীতে নিন্দিত ইত্যাদি প্রশ্ন।) সুতরাং ভারতকে স্বচ্ছ করতে গিয়ে বাড়লো বর্জ্য সাফইকারী দলিত মানুষের সংখ্যা এবং বেশিরভাগ জায়গাতেই অব্যবহারযোগ্য শৌচালয়। এটিই হলো প্রতীকী বা টোকেনিসম এর মাধ্যমে pro-poor কর্মসূচি গড়ে তোলা। স্বচ্ছ ভারত না হওয়ার কারন যে অনটন; রোগ, জঞ্জাল বা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মানুষ যে নিজের ইচ্ছেতে থাকে না, এক্ষেত্রে রুটি-রুজির প্রশ্নই প্রধান, সে কথা শাসকের মুখে শোনা গেল না।

আবারও ফিরে আসি জ্যাফ্রেলটের মূল তত্ত্বে, well-being over welfare। গো সেবা করলে শুচিতা প্রাপ্ত হয়, রথ টানলে পূণ্য অর্জন, গঙ্গা আরতিতে আধ্যাত্বিক আনন্দ প্রাপ্তি হয়- এই সবই কী করে আমার অভাব মোচন করবে, সন্তানকে স্কুল কলেজে পড়ানোর জন্য রোজগার দেবে সেই প্রশ্নের উত্তর মেলে না। জন-ধণ যোজনা বা আয়ুষ্মান ভারতের মতো কিছু প্রকল্প, বিজেপি পূর্ববর্তী সরকারের পরে অব্যাহত রেখেছে বটে, কিন্তু নিজেদের মৌলিক দাবীতে spiritual well-being কেই সর্বাপেক্ষা গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মুশকিল হলো, যত দিন যাচ্ছে এই প্রবণতা অত্যন্ত স্বাভাবিক হয়ে পড়েছে। অর্থাৎ খাদ্য-বস্ত্র-বাসস্থান ছাড়াও এই হিন্দুত্ববাদে তৃপ্ত থাকাই এখন নিউ নর্মাল। যেমন ধরা যাক, বাংলায় বিজেপির নির্বাচনী ইশতেহারে রাসবিহারীর মন্ত্রী কথা দিয়েছিলেন কালীঘাট মন্দিরকে আরও সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন করে তোলা হবে। এছাড়াও বলেছিলেন হিন্দুস্তান পার্ককে ক্যাফে-কালচার ডিস্ট্রিক্ট এর মর্যাদা দেওয়া হবে। এই নিয়ে বিশেষ কোনো প্রশ্ন উঠেনি যে তাতে রাসবিহারীর সাধারণ মানুষের কী লাভ হবে! কালীঘাট আর হিন্দুস্তান পার্কের এই দ্বিমুখী নীতি খুব গুরুত্বপূর্ণ; কেমন ধর্ম ও পুঁজিবাদ এখানে হাত ধরাধরি করে চলেছে। উচ্চ মধ্যবিত্তের ক্যাফে আর পপুলার ডোমেইনে মন্দির।
ক্রিস্টোফে জ্যাফ্রেলট দেখাচ্ছেন যে ‘সেলফ হেল্প’, ‘সেলফ ডিগনিটি’- এই শব্দগুলিকে হাতিয়ার করে বিজেপি পাবলিক সার্ভিস বা জনসেবামুলক কাজগুলি একপ্রকার স্থগিত রেখেছে। এই ‘সেলফ রেগুলটারি’ সমাজের ধারণার সাথে বিজেপির আদিপুরুষ দীনদয়াল উপাধ্যায়ের মতাদর্শও মিলে যায়। এই ধারণা অনুযায়ী, সমাজ, পরিবার, জাত ব্যবস্থা- সব নিজেই প্রথাগত ভাবে পরিচালিত (রেগুলেটেড) হবে, এখানে রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ হবে যৎসামান্য। এই যুক্তিকে কাজে লাগিয়ে ২০০৫ সালের MGNREGA (Mahatma Gandhi National rural employment guarantee act) এ লগ্নি কমানো হয়েছে, কিংবা আরও জনসেবামূলক কাজে বাঁধা দেওয়া হয়েছে। সবশেষে বলা যায় যে রোটি-কাপড়া-মাকান ছেড়ে মন্দির মসজিদে সমর্পিত আজকের জনসমাজকে বিজেপি কাজে লাগাতে পারছে মূলত তিনটি কারণে। এক, উদারনৈতিক গনতন্ত্রের ফাটল আরও জোরালো হচ্ছে। সকলেই যে বাবরি মসজিদ ভাঙ্গা সমর্থন করে তা নয়, কিন্তু তবু তারা মোদী সরকারকে ভোট দেন এই হেতু যে বিকল্প কোন পথ নেই। দুই, এই বিশ্বাস জনমানসে আজ প্রোথিত যে ‘গুড গভর্নেন্স’ এর দিন শেষ, সারা বিশ্বে যখন ওয়েলফেয়ার স্টেট প্রশ্নের মুখে (যে ধারণা উনিশ শতকের জার্মানি থেকে শুরু হয়েছিল) তখন নিজেদের সরকারকে অ্যাকাউন্টেবল বা দায়বদ্ধ করে লাভ নেই। ওয়েলফেয়ার না হলেও অন্তত ওয়েল বিং আসুক। (যেদিকে জ্যাফ্রেলট নির্দেশ করেছেন)। তিন, আন্তর্জাতিক স্তরে আজ exclusion (বহিষ্কক্রমণ) এবং extrimism ( উগ্রবাদ) এর জয়জয়কার। রোহিঙ্গা সমস্যা থেকে প্যালেস্তাইন, আমেরিকার বিদেশনীতি থেকে নেতানিয়াহু, সব জায়গাতেই ধর্ম বা জাতির নিরিখে নির্বাসনের চিত্র। ভারতের রাজনীতি কখনোই একটা বিচ্ছিন্ন দ্বীপ নয়, বিশ্বদরবারে ধর্ম নিয়ে হানাহানি নিশ্চই এ দেশের সাম্প্রদায়িকতাকেও হাওয়া বাতাস দেয়।
আজকের যন্তর মন্তরে আন্দোলন যদিও বিজেপির রাষ্ট্রতত্ত্বের সাথে বড়ই বেমানান। কিছুটা আশাবাদী হওয়া যায় যে দেশকে দায়বদ্ধ করার প্রক্রিয়া এখনও পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি। আগামীদিনে এটাই দেখার যে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, রোজগারের প্রশ্ন কতটা মূলস্রোতের রাজনীতিতে জায়গা করে নিতে পারে। রাম মন্দির নির্মাণ সম্পূর্ণ, রাম জন্মভূমি আন্দোলন থেকে রাজনৈতিক লাভের পথও শেষ, এবার নতুন কী সামাজিক প্রেক্ষিত তৈরি হবে, সেটাই দেখার।

