নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় উত্তাল বারুইপুর। ১১ বছরের এক নাবালিকাকে ধর্ষণ করে বস্তা বেঁধে পুকুরে ফেলে রাখা হয় বলে অভিযোগ। স্থানীয় সূত্রে খবর, বাড়ির সামনেই খেলছিল ওই নাবালিকা। এরপর শনিবার বিকেল ৪টে নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল মেয়েটি। তারপর থেকেই মেয়েটি নিখোঁজ। পরিবারের অভিযোগ তখনই তাকে অপহরণ করে ধর্ষণ করা হয়। এরপর নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয় গ্রামেরই একটি পুকুর থেকে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বারুইপুর থানার পুলিশ। দেহ উদ্ধার হতেই রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে বারুইপুর। এলাকাবাসী দেহ ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখতে শুরু করে। স্থানীয়দের অভিযোগ সরাসরি RSS আশ্রিত কিছু দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। গ্রামের কিছু বিজেপি সমর্থকই এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা। তাদের আরও অভিযোগ স্থানীয় নেতা শান্তনু মণ্ডলের ইশারায় এক অভিযুক্তকে ছেড়েও দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে এক সন্দেহভাজন বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসীর গণপিটুনির মুখে পড়ে, পরে তার মৃত্যুও হয়। মৃতের নাম ইন্দ্রজিৎ তাঁতি। এই ঘটনারও আলাদা করে তদন্ত শুরু করেছে বারুইপুর থানার পুলিশ।
https://www.facebook.com/share/v/1EAhYZEF5o
নাবালিকার দেহ পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে দাবি পুলিশের। অন্যদিকে গ্রামবাসীরা পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে পুলিশের গাড়িতে আগুন লাগিয়ে ভাঙচুর শুরু করে। বিক্ষোভকারীরা জানান খুব নৃশংশভাবে গণধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে নাবালিকাকে। চোখ খুবলে নেওয়া হয়েছে, জিভ ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে নির্যাতিতার পরিবারকে ফোন করে দোষীদের কঠোর শাস্তির আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

