ফের নাবালিকার খুন এবং ধর্ষণ। এবার উত্তরপ্রদেশের গোরখপুরে। বাড়িতে আর কেউ না থাকায় হাসপাতালে দিদিকে খাবার পৌঁছে দিতে বেরিয়েছিল বছর দশের এক নাবালিকা। কিন্তু আর ফেরা হল না। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে এই ঘটনায় অভিযুক্ত রাজ্যের একজন কর্মরত পুলিশ আধিকারিকই। ঘটনায় ফের প্রশ্নের মুখে রাজ্যের নারী নিরাপত্তা।
পরিবারের দাবি, বাড়িতে অন্য কেউ না থাকায় নাবালিকাকেই দিদির খাবার পৌঁছে দিতে বলা হয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও মেয়ে বাড়ি না ফেরায় উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে পরিবার। চারদিকে খোঁজাখুঁজি করেও কোনও সন্ধান না মেলায় পুলিশের দ্বারস্থ হন তাঁরা। এরপরই শুরু হয় তদন্ত।
মিসিং ডায়েরি পাওয়ার পর তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। শিশুটির শেষবার কোথায় এবং কার সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখতে গিয়েই উঠে আসে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তে উঠে আসে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের কনস্টেবল অভিষেক যাদবের নাম। পুলিশের দাবি, অভিযুক্ত কনস্টেবল শিশুটিকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল। এরপরেই নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। অভিযুক্ত নিজেই পুলিশকর্মী হওয়ায় ঘটনাটি আরও বেশি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। রক্ষকই কার্যত ভক্ষক হয়ে উঠেছে। যেই পুলিশের হাতেই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব, সেখানেই ধর্ষিত হতে হল নাবালিকাকে, এই নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে।
ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে ওই অভিযুক্তকে। গোরখপুর পুলিশ অভিষেক যাদবের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, খুন এবং যৌন নির্যাতনের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে। শিশুদের যৌন অপরাধ থেকে সুরক্ষা আইন পকসো-র সংশ্লিষ্ট ধারাতেও দায়ের করা হয়েছে মামলা।

