নকশী কাঁথা: বাঙালি নারীর নীরব প্রতিরোধ ও জীবনের আলেখ্য কংগ্রেস শাসিত কর্ণাটকে বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকদের নাগরিকত্ব যাচাই ও হয়রানির সংকট, ভাষার বুলডোজার! বাংলা থেকে আমেরিকান ক্যাপিটালিজম: সিয়ারসাকারের দাসত্ব ও আভিজাত্যের ইতিহাস অবৈধ মাইনিং এবং পরিবেশ উদাসীনতায় ডুবছে আসাম বালাঘাটে শিশুমৃত্যু,স্বাস্থ্যব্যবস্থার ব্যর্থতা ও বৈগা আদিবাসী সংকট এক বছরের মধ্যে, RSS পরিচালিত ১০০০টি স্কুল খোলার লক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী : শিক্ষার গেরুয়াকরণ? মনসুন ওয়েডিং: এক পশলা বৃষ্টিতে ধোয়া সম্পর্কের হিসেব অনুদান কোটি কোটি, প্রার্থী মোটে ১৫! গুজরাটের বেনামী দলগুলোর আড়ালে কি বিশাল কর ফাঁকির খেলা?

বিদ্যুৎ পরিষেবা নেই, অমিল পানীয় জল! কেমন আছে পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম গরিব গ্রাম?

৮ জন
পড়েছেন

প্রতিবেদন টি শেয়ার করুন

‘বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই পৃথিবীর রূপ খুঁজিতে যাইনা আর’। জীবনানন্দ দাশের সেই অমোঘ শব্দবন্ধের বয়স একশো বছরের কাছে পৌঁছতে চলল, তবু এই বাংলার আরো অনেক রূপ আছে যা আমাদের দেখা হয়নি। স্বাধীনতার এত বছর পরেও, বাংলার যে প্রান্তিক অংশের মানুষ আজও দুবেলা দু’মুঠো ভাল করে খেতে পান না, পেট ভর্তি হয় না দুপুরে, রাতে, সাঁঝের বেলায়; তাদের রূপ কে দেখবে? কে খবর নিয়ে পৌঁছে দেবে সেই সব ‘রানার’কে, যারা দিন বদলের গান লিখবে বলে কলম-কালি জড়ো করছে।  মালদহের মানিকচক বিধানসভার গদাই চর। বারোশোর বেশি মানুষের বসবাস। কয়েক পুরুষ ধরেই চাষবাস ভুট্টা, গম, কলাইয়ের। যেখানে আজও আধুনিকতার লেস মাত্র নেই গঙ্গার মাঝামাঝি এক ফালি জমিতে। সঠিক পরিবহন ব্যবস্থা নেই, ডাক্তার নেই, ওষুধ নেই, স্কুল নেই, জন্মের শংসাপত্র নেই, বিদ্যুৎ নেই, পানীয় জল নেই, শৌচালায় নেই। এই নেই সাম্রাজ্যের মানুষেরা তবু ভোট দেয়। স্বপ্ন দেখে। পৃথিবীর সর্ববৃহৎ গণতন্ত্রের ওরাও সদস্য-সদস্যা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ওদের ভোটে জিতে, ওদের করের টাকায় বিদেশ বিভূঁই ঘোরেন। মুখ্যমন্ত্রী চরেন হেলিকপ্টার। পাঁচ বছর পেরিয়ে যায় দেখতে দেখতে, বদলায় রাজা। তবু দিন বদলায় না।

অন্যান্য প্রতিবেদন.