বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় বন্ধ করে সার্বিক হোক নির্বাচন! তবেই সাপমুক্তি হবে পশ্চিমবঙ্গের? বিজেপির বিরুদ্ধে ভোটে জিতে মোদীর সঙ্গে ব্রেকফাস্ট! সায়নী, কাকলীরা আর জিতবেন? প্রতিবাদী মানেই ‘অ্যান্টিন্যাশনাল’ নয়, ভাগবতের কথা কি মাথায় রাখবে তথাকথিত ‘দেশভক্ত’রা? বাঁকিপুরের ঝাঁকি, সঙ্গে CJP! ঘুরে দাঁড়াতে পারবে BJP? গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কাঁটা মোদী-শাহ’র CPIM থেকে BJP হয়ে তৃণমূল! বিরোধী হলেই কাদা-ডিম্ ছোঁড়ার রাজনীতি বাংলায়, কবে বদলাব আমরা? জমিতেও হিন্দু-মুসলমান? মুখ্যমন্ত্রীর ‘ল্যান্ড জিহাদ’ মন্তব্যে শোরগোল বঙ্গ রাজনীতিতে রেখা পাত্রের বিরুদ্ধে বাড়ি দখলের অভিযোগ, শর্বরীর বিরুদ্ধে দোকান! তোলাবাজির TMC-BJP হয়? সেক্যুলার নেতাজির আদর্শ নিয়ে সমস্যা BJP-র! তাই অনন্ত মহারাজ এখনও বাইরে?

ক্রমেই অরুণাচলকে গিলছে চিন, সেনারা ঘাঁটি গেড়ে তৈরি করছে সেতু-রাস্তা

৪২ জন
পড়েছেন

প্রতিবেদন টি শেয়ার করুন

ফের অরুণাচলের দিকে চোখ চিনের। অরুণাচলের একাধিক গ্রামে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা টপকে ঘাঁটি গাড়ার অভিযোগ উঠছে পিপলস লিবারেশন আর্মির। অরুণাচলের নাহ আদিবাসীদের অভিযোগ তাকসিং এলাকার পাঁচটি গ্রামের বিস্তীর্ন এলাকা দখল করে রাস্তা, সেতু, ক্যাম্প তৈরির কাজ শুরু করেছে জিংপিং-এর সেনারা। নাহ উন্নয়ন সমিতির সভাপতি কেরু চাদের প্রথম এই বিষয়টি একটি চিঠির মাধ্যমে আপার সুবানসিরি জেলার ডেপুটি কমিশনারকে জানান। 

২০২৪ সালের ২৬ জুন লেখা ওই চিঠিতে দাবি করা হয় গত ১০–১৫ বছরে তাকসিং সার্কেলের সীমান্তবর্তী এলাকায় ধীরে ধীরে নিজেদের উপস্থিতি বাড়িয়েছে চিনা সেনা। তাদের অভিযোগ, সীমান্তের বিভিন্ন জায়গা দখল করে সেখানে রাস্তা, সেতু এবং সামরিক শিবির তৈরি করা হয়েছে। এর আগে ওই এলাকাগুলি গ্রামবাসীরা নির্বিঘ্নে বনজ সম্পদ সংগ্রহের কাজে ব্যবহার করতেন। শিকার করতেন, গবাদি পশু চরাতেন। কিন্তু ক্রমেই ওই এলাকায় দাপট বাড়াচ্ছে লাল ফৌজ। ওয়িং,পানিয়ার,মারপান পোত্রাং লেক এবং তিন্দিংটাং এই ৫টি এলাকার নাম উল্লেখ করে নাহ জনজাতি দাবি করে ২০২০ সাল থেকে এই এলাকাগুলি চিনের দখলে চলে গিয়েছে। সংগঠনটির আরও অভিযোগ, এই এলাকাগুলি তাকসিং সদর দফতরের কাছাকাছি অবস্থিত এবং এর মধ্যে কয়েকটি স্থান স্থানীয়দের কাছে সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। 

নাহ ওয়েলফেয়ারের চিঠি

নাহ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারকে ওই এলাকায় চিনের আরও কোনও কার্যকলাপ বন্ধ করতে অবিলম্বে পদক্ষেপ করার আবেদন জানান। ভারতীয় সেনাবাহিনীর উপর আস্থা প্রকাশ করলেও সংগঠনটি জানিয়েছে, তারা যে এলাকাগুলিকে ভারতীয় ভূখণ্ড বলে দাবি করছে, সেগুলির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারের আরও জোরালো হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলেও আর্জি করেন। সম্প্রতি তাকসিংয়ের  এক যুবকের একটি ভিডিও ভাইরাল হয় যেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়,  ‘বাই বাই ইন্ডিয়া, খুব শীঘ্রই চীনের অন্তর্ভুক্ত হচ্ছি আমরা, অরুণাচলবাসী!’ তবে ভারত এই নিয়ে কী ভাবছে তা নিয়ে কোনও স্পষ্ট বক্তব্য মেলেনি। অন্যদিকে গত ১০ বছরে কীভাবে অরুণাচলকে গিলে ফেলছে চিন? এই প্রশ্নও উঠছে। 

সম্প্রতি, ভারতের প্রস্তাবিত অরুণাচল প্রদেশের ২৭টি স্থানের নাম মানতেও অস্বীকার করেছিল বেজিং। ভারতের সরকারি মানচিত্রে ওই নামগুলি অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব জানানো হয়েছিল দিল্লির তরফে। চিন নয়াদিল্লির এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করলেও মঙ্গলবার ভারতের বিদেশ মন্ত্রক স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং কোনওভাবেই এই বাস্তবতা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। ২০১৭ সাল থেকে চিনের অসামরিক মন্ত্রক অরুণাচল প্রদেশের বিভিন্ন এলাকার চিনা নাম প্রকাশ করে আসছে। নিজেদের নাম  প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ওই অঞ্চলের উপর নিজেদের দাবি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে বেজিং। চলতি বছরের এপ্রিলেও চিন অরুণাচলের বেশ কিছু এলাকার নতুন নাম প্রকাশ করেছিল। ভারতের দাবি চিনের দেওয়া নামগুলি ভিত্তিহীন এবং কাল্পনিক। 

অন্যান্য প্রতিবেদন.