ক্যাম্পাসে গ্রাফিতিতে চুনকাম ও রাষ্ট্রের ছায়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় বন্ধ করে সার্বিক হোক নির্বাচন! তবেই সাপমুক্তি হবে পশ্চিমবঙ্গের? বিজেপির বিরুদ্ধে ভোটে জিতে মোদীর সঙ্গে ব্রেকফাস্ট! সায়নী, কাকলীরা আর জিতবেন? প্রতিবাদী মানেই ‘অ্যান্টিন্যাশনাল’ নয়, ভাগবতের কথা কি মাথায় রাখবে তথাকথিত ‘দেশভক্ত’রা? বাঁকিপুরের ঝাঁকি, সঙ্গে CJP! ঘুরে দাঁড়াতে পারবে BJP? গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কাঁটা মোদী-শাহ’র CPIM থেকে BJP হয়ে তৃণমূল! বিরোধী হলেই কাদা-ডিম্ ছোঁড়ার রাজনীতি বাংলায়, কবে বদলাব আমরা? জমিতেও হিন্দু-মুসলমান? মুখ্যমন্ত্রীর ‘ল্যান্ড জিহাদ’ মন্তব্যে শোরগোল বঙ্গ রাজনীতিতে রেখা পাত্রের বিরুদ্ধে বাড়ি দখলের অভিযোগ, শর্বরীর বিরুদ্ধে দোকান! তোলাবাজির TMC-BJP হয়?

বিশ্বাস ভঙ্গ! চন্দ্রনাথ রথ খুনে জড়িত তাঁরই ছায়াসঙ্গী, কীভাবে করা হয় হত্যা ছক?

৩৭৯ জন
পড়েছেন

প্রতিবেদন টি শেয়ার করুন

শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের (Chandranath Rath) খুনে গ্রেফতার আরও দুই। সিবিআই এই মামলায় দুই ভাইকে গ্রেফতার করে। যাদের নাম সাগর সোনকর এবং সাহেব সোনকর। এর আগে এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছিল বেশ কিছু জনকে যারা মূলত সুপারি কিলার। শুক্রবার টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর দুই ভাইকে গ্রেফতার করে সিবিআই। ধৃত সাহেব এবং সাগর দুইজনেই ছিল বিজেপির কর্মী সমর্থক। ২০২০ সালে বিজেপিতে যোগ দেন তারা। তবে তার আগে তৃণমূলের বিধায়ক শশী পাঁজার ঘনিষ্ঠ ছিলেন ধৃত সাগর।

শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথের এক্কেবারে ছায়াসঙ্গী ছিলেন এই সাগর। চন্দ্রনাথের সমস্ত রুটিন- সে কখন কোথায় যাবেন, কার সঙ্গে মিটিং এই সব তথ্যই থাকত সাগরের কাছে। চন্দ্রনাথের অফিসেই কাজ করতেন সাগর। CBI সূত্রে খবর, চন্দ্রনাথের গতিবিধি জানানো থেকে, রেইকিতে সাহায্য করা, শুটার আনানো থেকে খবর সরবরাহ – সমস্ত কিছুর পিছনেই রয়েছেন এই দুই ভাই।

চন্দ্রনাথ রথ

হত্যার দিন নিজাম প্যালেস থেকে কখন বেরিয়েছেন চন্দ্রনাথ এই সব তথ্যই ল্যান্ডফোনের মাধ্যমে পাচার করেছিলেন সাগর। ঘটনার পর থেকেই সন্দেহভাজনের তালিকায় রেখে নজর রাখা হয় সাগরের উপর। এর আগেও একাধিকবার CBI জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সাগরকে। তার বয়ানের অসঙ্গতি থেকেই চন্দ্রনাথ খুনের সূত্র পায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।সাগরকে সম্পূর্ণ বিশ্বাস করাই শেষমেশ কাল হল চন্দ্রনাথের।

শুভেন্দু অধিকারীর শ্রদ্ধাজ্ঞাপন

কে এই সাগর?

Bengal Liberty -র তথ্য অনুযায়ী, সাগর সোনকর ছিলেন জয়পুরিয়া কলেজের ছাত্র। কলেজে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন সাগর। পাশাপাশি তৃণমূল বিধায়ক শশী পাঁজার সঙ্গেও ওঠাবসা ছিল ধৃতর। কিন্তু পরবর্তীতে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দেন সাগর। তাকেই তুলে এনে নিজের ছায়াসঙ্গী করেছিলেন চন্দ্রনাথ রথ। নিজের টিম সাজিয়েছিলেন যেখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতেন এই সাগর। তদন্তে দেখা যাচ্ছে সবচেয়ে বিশ্বাসভাজন সাগরই চন্দ্রনাথের খুনের মূল চক্রী।

ঘটনার দিন নিজাম প্যালেসে বসে আর সকলের সঙ্গে গল্প করছিলেন চন্দ্রনাথ। শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হলে কী কী করা যায় তার নীল নকশা নিয়েও আলোচনা করেছিলেন। পরে নিজের গাড়িতে চেপেই বেরিয়ে যান চন্দ্রনাথ নিজের বারাসতের বাড়ির উদ্দেশে।

তদন্তে জানা যায় চন্দ্রনাথ বেরোনোর পরেই আততায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন সাগর। ভাড়াটে খুনি জোগাড় থেকে সমস্তটাই করেন এই দুই ভাই। তবে কী কারণে এই রোষ তা এখনও জানা যায়নি। এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ রয়েছে কীনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, সদ্য পালাবদলের পর ৬ই মে এই ঘটনা ঘটে। তখনও শুভেন্দু অধিকারীর নাম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়নি। নিজের গাড়ির চালকের সঙ্গে বাড়ির পথে ফেরার সময়ই বাইকে করে আততায়ীরা এলোপাথাড়ি গুলি করে চম্পট দেয়। সব ঠিক থাকলে অগাস্ট মাসেই এই ঘটনার চার্জশিট পেশ করতে পারে সিবিআই।

অন্যান্য প্রতিবেদন.