Delay in teacher recruitment west bengal ২৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগে সুপ্রিম কোর্টে অতিরিক্ত সময় চাইছে রাজ্য ও এসএসসি সাংবাদিক সম্মেলন, শেখ হাসিনা ফের খবরে! তারেক নাকি হাসিনা? কী ভাবছে দিল্লী? ক্যাম্পাসে গ্রাফিতিতে চুনকাম ও রাষ্ট্রের ছায়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় বন্ধ করে সার্বিক হোক নির্বাচন! তবেই সাপমুক্তি হবে পশ্চিমবঙ্গের? বিজেপির বিরুদ্ধে ভোটে জিতে মোদীর সঙ্গে ব্রেকফাস্ট! সায়নী, কাকলীরা আর জিতবেন? প্রতিবাদী মানেই ‘অ্যান্টিন্যাশনাল’ নয়, ভাগবতের কথা কি মাথায় রাখবে তথাকথিত ‘দেশভক্ত’রা? বাঁকিপুরের ঝাঁকি, সঙ্গে CJP! ঘুরে দাঁড়াতে পারবে BJP? গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কাঁটা মোদী-শাহ’র CPIM থেকে BJP হয়ে তৃণমূল! বিরোধী হলেই কাদা-ডিম্ ছোঁড়ার রাজনীতি বাংলায়, কবে বদলাব আমরা?

‘গণতন্ত্রের জয়’, ইতিহাস গড়লেন ছাত্র-যুবরা, আনন্দাশ্রতে উচ্ছ্বাস যন্তর-মন্তরে

১৩ জন
পড়েছেন

প্রতিবেদন টি শেয়ার করুন

The students united shall always be victorious…

২৫ জুলাই ২০২৬, ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে রইল দেশের ছাত্র-যুবদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন। জয় হল গণতন্ত্রের। দীর্ঘ ১ মাস ধরে চলা এই আন্দোলনকে অনেকেই প্রথম থেকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাননি। সোশ্যাল মিডিয়ায় তৈরি হওয়া একটা পেজ থেকে ২০ জুলাইয়ের ‘সংসদ চলো’ অভিযানের লড়াইটা সহজ ছিল না। আন্দোলনের উপর বারংবার নেমে এসেছে প্রশাসনের বাধা, তারপরেও দমে যায়নি আরশোলারা। দাঁতে দাঁত চেপে, চোয়াল শক্ত করে নিজেদের দাবিতে অনড় থেকেছেন। অবশেষে বহুপ্রতীক্ষিত দাবি আদায়। ঐতিহাসিক জয়। সমস্ত দাবি মেনে ইস্তফা দিলেন দেশের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।

এরপরই দিল্লির যন্তর-মন্তরে শুরু হয় উচ্ছ্বাসের আবহ। আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীরা আনন্দে মেতে ওঠেন, যার একাধিক ভিডিও ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়ার বন্যা বইছে। কেউ এই ঘটনাকে ছাত্র আন্দোলনের বড় জয় হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা শুরু করেছেন। চারদিকে এখন এই ইস্তফাকেই ঘিরে তুমুল চর্চা।

https://www.facebook.com/share/v/1E9vrwdi8s

বাড়ি ঘর ছেড়ে যন্তর-মন্তরে দিনের পর দিন পড়ে ছিলেন যারা আজ তাঁদের চোখে আনন্দাশ্রু। জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে স্লোগান তোলা হয় ‘ছাত্র ঐক্য জিন্দাবাদ’। নিট (NEET) প্রশ্নপত্র ফাঁসে প্রাণ হারানো ছাত্রছাত্রীদের স্মরণে দুই মিনিট নীরবতা পালন করেন প্রতিবাদীরা।

এই প্রসঙ্গে ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্ব অভিজিৎ দীপকে বলেন, সকলে বলেছিল এই সরকারে পদত্যাগের রেওয়াজ নেই। পৃথিবীও নত হয়, শুধু দরকার হয় একতার। সঙ্গে গান্ধীজির অহিংস আন্দোলনের কথা মনে করিয়ে অভিজিৎ বলেন, ‘‘পরিবর্তনের জন্য ধারাবাহিক শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের বিকল্প কোনও পথ নেই।’’ দাবি পূরণ হতেই বাঁধভাঙা আনন্দের ছবি যন্তর-মন্তরে।

অন্যান্য প্রতিবেদন.